১২ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মগরাহাট পশ্চিমে নয়া রাজনৈতিক সমীকরণ চলেছে তৃনমূল দলের মধ্যে, আসলি ছেড়ে নকলি ধরার।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।।

 

বেশ কিছু হচ্ছে মগরাহাট পশ্চিমে তৃনমূল দলের মধ্যে কে কাকে টপকে উপরে উঠতে পারে তার খেলা চলেছে। দেখা গেছে যারা, ২০২১,শে, বিধান সভা নির্বাচনে জীবনের বাজি রেখে জীবন মরন কে ভয় না পেয়ে তৃনমূল দলের প্রার্থী মগরাহাট পশ্চিমে জনাব গিয়াসউদ্দিন মোল্লা কে যারা জেতাতে ময়দানে ছিল, আজ তাদের কে সরিয়ে যারা বিরোধী দলের প্রার্থী জনাব মইদুল ইসলাম ও বিজেপি নেতা ও প্রয়াত বিজেপি প্রার্থী শ্রী মানস সাহা কে জেতাতে সামনের সারিতে ছিল আজ তারা মগরাহাট পশ্চিমে তৃনমূল দলের প্রথম সারির নেতা হতে চলেছে । গত বিধান সভা নির্বাচনে মগরাহাট পশ্চিমে যে যে যায়গায় তৃনমূল দলের প্রার্থী সাবেক পশ্চিম বাংলার মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী ও বর্তমান বিধায়ক জনাব গিয়াসউদ্দিন মোল্লা পিছিয়ে পড়েছিল সেখান থেকে সেই অঞ্চলের সদস্য ও প্রধান কে সরিয়ে দিয়ে যারা ভালো ভোট দিয়ে লিড করিয়েছিলেন তাদের কে সম্মান দিতে কোথাও দলের সভাপতি ও কোথাও পুরাতন প্রধান কে সরিয়ে নতুন প্রধান তৈরি করছে দলের বিধায়ক ও এক জেলা পরিষদের সদস্য। কিন্তু অনেক পুরনো নেতা ও কর্মীদের এবং দলের অঞ্চল সদস্য ও প্রধান এবং উপপ্রধান কে সরিয়ে দিয়ে নতুন করে অন্যদের সেই যায়গায় বসাতে গিয়ে দলের নীচের তলায় নেতা ও কর্মীরা ক্ষোভ উগরে দিতে ছাড়ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মগরাহাট পশ্চিমের দাপুটে নেতা ও নেত্রীদের এবং তৃনমূল দলের নীচের তলায় কর্মীদের অভিযোগ যে তাদের দলের নেতা ও বিধায়ক এবং বিধায়কের ভাই এবং একজন জেলা পরিষদ সদস্য টাকা পয়সার বিনিময়ে এই কাজ করে চলেছে পশ্চিম বাংলার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অজান্তেই। কারণ হিসেবে তারা বলছেন মগরাহাট পশ্চিমে মধ্যে কালিকাপোতা অঞ্চল এর প্রধান কে সরিয়ে দিয়ে সেখানে দলের সদস্য বেশি থাকতেও টাকা ও পয়সার বিনিময়ে নিরদল সদস্য শ্রীমতী নাসরিন খাতুন কে প্রধান করা হয়েছে। ঔ অঞ্চলে একজন কে প্রধান করার জন্য প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা চেয়েছিল বলে এক সদস্য জানান। তিনি দিতে না পারাতে তাকে সরিয়ে নাসরিন খাতুন কে প্রধান করা হয়। এই অঞ্চলের দলগত পর্যায়ে সদস্য কার কত দেখলে বোঝা যায়। এই কালিকাপোতা অঞ্চলে তৃনমূল দলের সদস্য ছিলেন মোট, ১৪,জন। বিরোধী দল ও নির্দল সদস্য ছিলেন, ৫,জন। এই অঞ্চলে তৃনমূল দলের যে কেউ প্রাধান হতে পারতেন । কিন্তু তা না করে নিরদল সদস্য নাসরিন খাতুন কে প্রধান করা হয়েছে। অন্যদিকে ইয়ারপুর অঞ্চলে ওখানে তৃনমূল দল একক ভাবে ক্ষমতায় নেই। ওখানে তৃনমূল দলের সদস্য ছিলেন, ৫,জন, বিজেপি, ৬,জন, এবং বামফ্রন্ট এর সদস্য ছিলেন, ৪,জন। কিন্তু ওখানে তৃনমূল দলের সদস্য থাকতেও বিজেপি থেকে আনা সদস্য শ্রী দিপক মিস্ত্রী কে প্রধান করায় দলের বহু পুরাতন নেতা ও কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে যায় । এই প্রধান ফেলা ও তোলা খেলায় মেতেছেন মগরাহাট পশ্চিমের এক তৃনমূল দলের নেতা ও একজন নেত্রী। এই শুরু হয়েছিল আজ থেকে দশ বছর আগে। সেটি মগরাহাট পশ্চিমের উত্তর কুসুম অঞ্চলের বামফ্রন্টের প্রধান ফরিদ মোল্লা কে ফেলতে গিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার ডিল করে নিরদল সদস্য জনাব কুতুবউদ্দিন লস্কর কে প্রধান করতে। সেই ডিল খেলায় অংশ নিয়েছিল তৎকালীন উস্হি থানার দন্ড প্রতাপ এস আই জনাব খালেক সাহেব কে সামনে রেখে। সেই বার তৃনমূল দলের ঘোলা নওয়া পাড়ার পঞ্চায়েত সদস্য জনাব আলাউদ্দিন হালদার কে দূরে সরিয়ে দিয়ে। সেই সময় থেকে এই কেনা বেচা ও টাকা পয়সার বিনিময়ে প্রধান ও উপপ্রধান এবং বিভিন্ন যায়গায় অঞ্চল সভাপতি ও ব্লক কমিটিতে কাকে ঠাই দেওয়া হবে সব কিছু হিসেবে তৈরি করা হয় বলে জানিয়েছেন মগরাহাট পশ্চিমের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু নেতা ও পুরাতন তৃনমূল দলের কর্মীরা।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি