২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ত্রিশের পর মেয়েদের যে শারীরিক পরীক্ষাগুলো করা দরকার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বয়সটাকে তো আর হাতের মুঠোয় বন্দি করে রাখা যায় না। তাই সময়ের ব্যবধানে বয়স বাড়ে আর সাথে করে নিয়ে আসে রোগবালাইয়ের বাক্স। সে বাক্স থেকে বছরের পর বছর বেরিয়ে আসে এক একটি জীবনঘাতী রোগ। মেয়েদের বয়স ত্রিশ পেরোলে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে বিভিন্ন রোগ। তাই স্বাস্থ্য সচেতনতার বেশি প্রয়োজন। ত্রিশের পর শরীরের বাঁকবদলে সুস্থ থাকতে কিছু শারীরিক পরীক্ষা করা উচিত। সেগুলো কী কী জেনে নিন।

জরায়ু ক্যান্সার

৩০ থেকে ৬৫ বছর পর্যন্ত মেয়েদের নিয়মিত প্যাপ স্মিয়ার -এর মাধ্যমে জরায়ু পরীক্ষা করানো উচিত। এর ফলে ক্যান্সারের কোনো সম্ভাবনা আছে কিনা, সে বিষয়টি বুঝা যায়। পাশাপাশি ৩০ বছরের পর এইচপিভি পরীক্ষা করেও দেখা যেতে পারে ক্যান্সারের ঝুঁকি কতোটা রয়েছে।

লিপিড প্রোফাইল

সুস্থ ভাবে জীবনযাপন করতে প্রয়োজন পুষ্টিকর সুষম খাবার ও নিয়মিত শরীরচর্চা করা। শরীরের সবকিছু ঠিকঠাক আছে কিনা জানতে বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করোনা উচিত।

থাইরয়েড সমস্যা

অনেক মেয়ের মধ্যে অ্যানিমিয়া এবং থাইরয়েডের মতো অসুখের কোনো রকম উপসর্গ দেখা যায়না। কিন্তু পরীক্ষা করালে এই অসুখগুলো ধরা পরে। শরীরে হিমোগ্লোবিন কতোটা এবং থাইরয়েড প্রোফাইল কী রকম জানা থাকলে, এই রোগগুলো সহজেই ধরা পড়বে এবং দ্রুত চিকিৎসা শুরু করে দেওয়া যাবে।

ম্যামোগ্রাম

যাদের শরীরে ব্রাকা ১ ও ব্রাকা ২ মিউটেশন রয়েছে তাদের স্তনের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তাই ৩০ বছরের পর থেকেই প্রতি বছর অন্তত একবার হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ম্যামোগ্রাম পরীক্ষা এবং স্তনের এমআরআই স্ক্যান করিয়ে নেওয়া উচিত। তবে যাদের শরীরে ব্রাকা ১ ও ব্রাকা ২ মিউটেশন নেই, তারা ৪৫ বছর বয়সের পর বছরে একবার করে ম্যামোগ্রাম করানো উচিত।

গর্ভধারণের পরীক্ষা

গবেষণায় দেখা গেছে ৩০ বছর বয়সের পর মেয়েদের শরীরে ডিম্বাণু উৎপাদনের ক্ষমতা একটু একটু করে কমতে থাকে। ত্রিশের শেষের দিকে তা অনেকটাই কমে যায়। তাই কেউ যদি মনে করেন, একটু বেশি বয়সে মা হবেন, তা হলে স্ত্রীরোগ চিকিৎসকের পরামর্শে কিছু পরীক্ষা করে নিন। এতে যাচাই করে নিতে পারবেন আপনার সন্তানধারণের ক্ষমতা কতোটুকু।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি