১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

তিস্তা নদী যাদের পথে বসিয়েছে; সেই তিস্তা এখন মানুষকে পথ দেখাচ্ছে-রংপুরে বানিজ্য মন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, তিস্তা নদী নিয়ে সরকারের অনেক পরিকল্পনা আছে। এই তিস্তা নদী যাদের পথে বসিয়েছে, সেই তিস্তা এখন মানুষকে পথ দেখাচ্ছে। তিস্তার তীরে বেক্সিমকো কোম্পানি বিশাল পাওয়ার প্লান্ট প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করছে। অবহেলিত তিস্তার পাড়ে আলীবাবা থিম পার্ক হয়েছে। যেখানে অনেক বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উত্তরের উন্নয়ন করতে হবে। উত্তরবঙ্গ অনেক সম্ভাবনাময় অঞ্চল।

আমরা সুন্দরগঞ্জ, পীরগাছা, কাউনিয়া ও উলিপুরের মানুষ মিলেমিশে থাকতে চাই। তাই উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। ফলে এই তিস্তার তীরে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।

রোববার দুপুরে রংপুরের পীরগাছা, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার উপজেলার সীমান্তবর্তী তিস্তা নদীর তীরে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য এ কথাগুলো বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি এমপি।

আলীবাবা থিম পার্কের উদ্যোগে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ-আল-মারুফের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য দেন, জাতীয় পার্টির রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্তি মহাসচিব গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) সাদেকুল আলম, পীরগাছা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ মাহবুবার রহমান, পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ শামসুল আরেফীন, পীরগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তছলিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মিলন, আলীবাবা থিম পার্কের প্রোপ্রাইটর আলহাজ্ব ইয়ার আলী, স্থানীয় তারাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম প্রমূখ।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা সবাই মিলে এ অঞ্চলের উন্নয়ন করতে চাই। তাই আগামীতে সুন্দরগঞ্জ, পীরগাছা, কাউনিয়া ও উলিপুরের উন্নয়নের জন্য আলীবাবা থিম পার্ক ঘেঁষে তিস্তা নদীতে আরও একটি ব্রীজ নির্মাণ করা হবে।

স্থানীয় সাংসদ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বলেন, তিস্তার চরে বেসরকারি কোম্পানিগুলো ব্যাপক উন্নয়ন করছে। এতে এলাকায় বেকারত্ব সমস্যা দূর হচ্ছে। আমি বাণিজ্যমন্ত্রীসহ এই এলাকায় অনেক উন্নয়ন করার স্বপ্ন দেখছি। তিনি সুন্দরগঞ্জ থেকে আলীবাবা থিম পার্ক পর্যন্ত একটি রাস্তার জন্য ডিও লেটার দিতে চেয়েছেন, যা শিগগিরই বাস্তবায়ন করা হবে। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ দেখতে তিস্তার তীরে মানুষের জনস্রোত পরিণত হয়। নারী-পুরুষ, যুবক-যুবতীসহ নানা বয়সের মানুষেরা তিস্তার পাড়ে কানায় কানায় ভরে যায়। খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে মন্ত্রী পীরগাছা উপজেলা পরিষদে সকল কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আলাদা আলাদা ভাবে বৈঠক করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি