১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

তানোরে মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সারোয়ার হোসেন,তানোরঃ

হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দূর্গাপুজাকে ঘিরে রাজশাহীর তানোর উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তায় মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা শিল্পীরা দিন-রাত প্রতিমা তৈরির কাজ করে যাচ্ছেন। শিল্পীদের শৈল্পিক ছোঁয়ায় খড়, মাটি ও পাট আর কাঁদা দিয়ে তৈরি হচ্ছে দূর্গাপুজার প্রতিমা। কেউ আউড় (খড়) দিয়ে মুর্তি তৈরির প্রাথমিক কাজ করছেন, কেউবা মাটি দিয়ে আউড়ের ওপর আবরণ দিচ্ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন মণ্ডপ সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষের দিকে। এখন শুধু রংতুলির ছোঁয়া দিয়ে প্রতিমা সাজিয়ে তুললেই হয়ে যাবে দূর্গাপূজার জন্য প্রতিমা তৈরির পুরো কাজ। জানা গেছে, প্রতিবারের ন্যায় এবারেও উপজেলা জুড়ে প্রায় ৫৩টি মণ্ডপে শারদীয় দূর্গাপুজা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপুজাকে ঘিরে যেন কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য তানোর থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকম প্রস্তুত্তি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তানোর সদর শিবতলা কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী পরেশ কুমার দাস বলেন, আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দূর্গাপুজা। ইতিমধ্যে আমরা দূর্গাপুজার প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ করেছি, এখন শুধু রং করলেই প্রতিমার পুরো কাজ সম্পূর্ণ হবে।

তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রাকিবুল হাসান রাকিব বলেন, হিন্দু ধর্মালম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপুজা, আর এই দূর্গাপুজা পালন করতে হিন্দু সম্প্রদায়ের যেন কোন বিঘ্ন না ঘটে সেজন্য সর্বদা প্রস্তুত হয়েছে পুলিশ প্রশাসন বলে তিনি জানান।

 

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি