১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ডুমুরিয়ায় গুটুদিয়া মৎস্য ঘের মালিককে ভ্রাম্যমান আদালতের ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়। 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নিজস্ব প্রতিনিধি সরদার বাদশা ।

 

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ১৩নং গুটুদিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর গ্রামে মাছের ঘেরে পোল্ট্রি লিটার ব্যবহার করার অপরাধে ২০‌ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য্য করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

 

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত কাল রোববার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: আবদুল ওয়াদুদ এর নেতৃত্ব এ অভিযান পরিচালিত কালে

গুটুদিয়া ইউনিয়নের খড়িয়া মির্জাপুর গ্রামে মাছের ঘেরে পোল্ট্রি লিটার ব্যবহার করার অপরাধে গুটুদিয়া গ্রামের কাজী শামসুর রহমানের ছেলে মৎস্য ঘের মালিক কাজী জিয়াউর রহমান (৪০)কে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে মৎস্য খাদ্য ও পশু খাদ্য আইন- ২০১০ এর ২০ ধারা অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য্য অনাদায়ে ৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়। এ ছাড়া মৎস্য ঘেরের কাজে সরকারি রাস্তা ব্যবহার করে ক্ষতি সাধন করার অপরাধে বিকল্প রাস্তা নির্মাণ করে ব্যবহার করার জন্যে ঘের মালিককে নির্দেশ দেয়া হয়।

 

আদালত পরিচালনায় সহযোগীতা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিকসহ থানার এস,আই আল আমিনসহ পুলিশের সদস্যবৃন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি