১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ডুমুরিয়ায় একটি মিনি ডেইরী প্লান্ট স্থাপন করা হবে।প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য এমপি।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নিজস্ব প্রতিনিধি সরদার বাদশা।

 

দেশীয় দুগ্ধশিল্পের বৈচিত্র্যময় প্রসারে কাজ করছে মিল্কভিটা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য এমপি।

 

শনিবার সকাল ১১টায় খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার থুকড়া বাজার রামকৃষ্ণ পুর গ্রামে, বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিঃ এর খুলনা বিভাগের সমবায়ীদের মাঝে ক্ষুদ্র ঋনের চেক বিতরণ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির

বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ২০০জন সমবায়ীর মধ‍্যে ২কোটি ৪০ লক্ষ টাকার ক্ষুদ্র ঋণের চেক বিতরণ করা হয়।

 

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, একটি শোষিত ও বঞ্চিত জাতিকে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম। এ মুক্তি বলেতে তিনি অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বলেছেন। আর এই অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের জন‍্য সমবায়কে বেছে নিয়েছিলেন। সমবায় ছিল জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণের হাতিয়ার। তিনি কৃষি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা, শিল্প উদ্যোগ, কৃষি ঋণসহ সবক্ষেত্রেই সমবায়ভিত্তিক উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থাপনায় উদ্যোগ গ্রহন করেছিলেন।

 

স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেন, বতর্মান সরকার কৃষকদের ভাগ‍্যের উন্নয়নে কাজ করছে। দেশের দুগ্ধ উৎপাদনের মাধ‍্যমে কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই মিল্কভিটা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। প্রতিষ্ঠানটি গ্রামীন জনগোষ্ঠীর দোড়গোড়ায় সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। সাতক্ষীরায় একটি মিনি ডেইরী প্লান্ট স্থাপন করা হচ্ছে। এটি সফল হলে সারা দেশে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হবে। ডুমুরিয়ায় উপজেলায় যেহেতু দুধের উৎপাদন বেশি তাই এখানেও একটি মিনি ডেইরী প্লান্ট স্থাপন করা হবে।

 

মিল্ক ভিটার চেয়ারম্যান শেখ নাদির হোসেন লিপু এর সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ‍্যে আরও বক্তব্য রাখেন মিল্ক ভিটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক অমর চান বণিক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল ওয়াদুদ এবং বিভাগীয় সমবায় অধিদপ্তরের যুগ্ম নিবন্ধক মো. মিজানুর রহমান সহ স্থানীয় সমবায়ী নেতৃবৃন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি