১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

ডুমুরিয়ায় ইউপি নির্বাচন পরবর্তি সহিংসতায় পরাজিত প্রার্থীর হামলায় বিজয়ী প্রার্থীসহ আহত-১০।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সরদার বাদশা,নিজস্ব প্রতিনিধি।

 

 

খুলনার ডুমুরিয়ায় ইউপি নির্বাচনে পরাজিত মেম্বর প্রার্থীর সহিংসতায় বিজয়ী প্রার্থীসহ তার ১০ জন কর্মী- সমর্থক মারপিটের শিকার হয়ে আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকার সকালে উপজেলার সাহস ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে। ভূক্তভোগী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাহস ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান ইউপি মেম্বর সিরাজুল ইসলাম সরদার গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পুনরায় মেম্বর নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তারই চাচাতো ভাই কামরুল ইসলাম সরদার পরাজিত হন। ওই ঘটনার জের ধরে পরাজিত প্রার্থী কামরুল ইসলাম সরদার ও তার অন্য সহযোগী শহিদুল সরদারের নেতৃত্বে গতকার সকালে বিজয়ী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক সাইফুর রহমান ও নাছিমুল ফকিরের বাড়ি ঘেরাও করে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে সিরাজ মেম্বর ও তার অন্যান কর্মী-সমর্থকরা তাদের উদ্ধার করতে যায়। এ সময় কামরুল ইসলামের সহযোগীরা সিরাজ মেম্বর,তার সহোদর এক পা হারা শারীরিক প্রতিবদ্ধি আজহারুল ইসলাম(৪৫),সিরাজুল সরদার(৫৫),আহম্মদ আলী গাজী(৫০),আলমগীর সরদার(৩৫),বৃদ্ধ আব্দুল আজিজ শেখ(৯০),জামিনুর সরদার(৪০),পঞ্চানন দাস(৬০)সহ অন্তত ১০ জন কর্মী-সমর্থকদের উপর চাইনিজ কুড়াল,হাতুড়ী,লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র-স্বস্ত্র নিয়ে হামলা করে আহত করে। আহতদের স্হানীয় লোকজন উদ্ধার করে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। এ প্রসঙ্গে মেম্বর সিরাজুল ইসলাম বলেন, স্হানীয় চেয়ারম্যান শেখ জয়নাল আবেদীন ও শেখ তোফাজ্জেল হোসেন তোফা নির্বাচনে আমাকে হারাতে কামরুল কে ইন্ধন দিয়ে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়ে দেয়। কিন্ত তাদের উদ্দেশ্য সফল না হওয়ায় আজ তাদের উপস্হিতি ও নেতৃত্বে আমাকে সহ আমার কর্মিদের উপর হামলা করেছে।

 

এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান বলেন,ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৯জন কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তি আইনগত ব্যবস্হা নেয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক