১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

ডুমুরিয়ায় আশ্রায়ণ প্রকল্প(২)পরিদর্শন করেন সিনিয়র সচিব কেএম আলী আজম।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নিজস্ব প্রতিনিধি সরদার বাদশা।

 

 

ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রানদীর তীরে কাঁঠালতলা

আশ্রায়ণ প্রকল্প(২)পরিদর্শন করেন জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কেএম আলী আজম। ২৯ই আগস্ট রবিবার সকাল ১০ টায় ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রানদীর তীরে সদ্য গড়ে ওঠা কাঁঠালতলা আশ্রয়ন প্রকল্প (২) এর পুকুরের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত ও বকুল গাছের চারা রোপন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন, খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ ইউসুফ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শাহনাজ পারভীন, ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবদুল ওয়াদুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ মনিরুজ্জামান, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান শারমিন পারভীন রুমা, উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ দাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন, মৎস্য কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান, প্রকল্প বাস্তয়ন কর্মকর্তা সোঃ আরশাফ হোসেন, উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক শাহেনেওয়াজ হোসেন জোয়ার্দার, ইউপি চেয়ারম্যান প্রতাপ কুমার রায়, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা প্রভাষক জিএম ফারুক হোসেন,ইউপি সদস্য শেখ আব্দুল হালিম মুন্না প্রমুখ।

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কেএম আলী আজম সুফলভোগীদের সাথে সাক্ষাৎকালে বলেন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে দেশের ভূমিহীন ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য আশ্রয় দেয়ার লক্ষে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় সরকার।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি