১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ডুমুরিয়ায় অজ্ঞাত লাশের পরিচয় শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি খুলনা

খুলনার ডুমুরিয়ার চহেড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে। শাহারিয়ার আলম শাহীন(৪৮)নামের মানুষিক রোগাক্রান্ত ওই ব্যক্তি খুলনা নগরীর দৌলতপুর থানার রেলিগেট এলাকার বাসিন্দা।পরিবারের সদস্যরা
২৩ আগষ্ট সোমবার থানায় হাজির হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে শনাক্ত করেন। নিহত শাহীনের বড় ভাই জুয়েল তার পরনের প্যান্ট,গেঞ্জি এবং স্যান্ডেল দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত করে জানান,শাহীন একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এবং মানুষিক রোগি ছিলো।
গত ১৯৯৮ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ভারতে তার চিকিৎসা করানো হলেও তার শারীরিক ও মানুষিক সুস্হতা ফিরে আসেনি। গত ১৯ আগষ্ট বৃহস্পতিবার বাসা থেকে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেনি। যার কারণে পরদিন শুক্রবারে আমরা দৌলতপুর থানায় একটি মিসিং ডায়রি এন্ট্রি করে কয়েকটি পত্রিকায় হারানো বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়। কিন্ত তার কোন হদিস না পেয়ে জানতে পারি ডুমুরিয়া থানা পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয় একটি লাশ উদ্ধার করেছে। থানায় এসে শাহিনের ব্যাবহৃত কাপড়-চোপড় দেখে আমরা নিশ্চিত হয়েছি নিহত ব্যক্তি আমার ছোট ভাই শাহীন।

ডুমুরিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার থানার রুদাঘরা ইউনিয়নের চহেড়া গ্রামের আব্দুল সাত্তার খানের বাড়ি সংলগ্ন কচুরিপানা ভর্তি একটি পুকুরে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানা পুলিশকে খবর দেয়।
ডুমুরিয়া থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে থানায় একটি অপমৃত্যু রেকর্ড পূর্বক ময়না তদন্তের জন্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে।
এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান জানান,লাশের ময়না তদন্ত শেষে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে নগরীর খালিপুর থানার গোয়ালখালী সরকারি কবর স্হানে দাফন করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি