২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

ডুমুরিয়ার শাহপুর সােনামুখ পরিবার ডক্টরেট সম্মিলন অনুষ্ঠান ২০২১ ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সরদার বাদশা নিজস্ব প্রতিনিধি।

 

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার সরকারি শাহপুর মধুগ্রাম কলেজ প্রাঙ্গনে গতকাল সকাল ৯.০০ টায় কলাণমুখী সংগঠন সােনামুখ পরিবারের আয়ােজনে একটি ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান সােনামুখ ডক্টরেট সম্মিলন -২০২১ অনুষ্ঠিত হয় । মূলত এটি ছিল ডক্টরেট ডিগ্রিধারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের এক মিলন মেলা । অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরিসংখ্যাবিদ ও ডুমুরিয়ার গর্ব ড . আনােয়ার এইচ জোয়ারদার সম্পাদিত ডুমুরিয়া উপজেলার ৫৫ জন ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনকারীর জীবন বৃত্তান্ত সম্বলিত গ্রন্থ ডক্টরেটস অব ডুমুরিয়া – সােনামুখ এর মােড়ক উম্মােচন করা হয় । গ্রন্থটি প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটি হাতে নেন বহু সামাজিক কল্যাণমূলক কাজের অন্যতম সংগঠন সােনামুখ । মােড়ক উম্মােচন করেন গ্রন্থটির সম্পাদকসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ডক্টরেটবৃন্দ । এই মহতী অনুষ্টানে ডুমুরিয়া উপজেলার শিক্ষাবিদ , রাজনীতিবিদ , সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন স্কুল কলেজের হাজার হাজার শিক্ষক , শিক্ষার্থীদের সাথে ডক্টরেটদের সাথে মুখােমুখি হওয়ার সুযােগ তৈরি হয় । কলেজ মাঠে ডক্টরেটদের জন্য ফ্যাকাল্টি অনুযায়ী স্টল বরাদ্দ দেয়া হয় । সকাল থেকেই স্টলগুলােতে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা যায় । ডক্টরেটবৃন্দ অত্যন্ত ধৈর্য্য ধরে শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন । এতে করে ডক্টরেটদের সাথে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সরাসরি যােগাযােগ ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা গ্রহণের পথ অনেক সহজ হবে । অনুষ্ঠানের মূল কারিগর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা , সমাজসেবী ও ভলান্টারি সংগঠন সােনামুখের স্বপ্নদ্রষ্টা এ এম কামরুল ইসলাম । তাঁর মুল উদ্দেশ্য হলাে উচ্চশিক্ষা বিশেষ করে ডক্টরেট ডিগ্রির প্রতি ডুমুরিয়ার সােনামুখদের ( শিক্ষার্থী ) আগ্রহী করে তােলা । অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ , ডক্টরেট , শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ , শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণ ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি