২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার, ১৬০,টি, মোবাইল ফোন। ফিরৎ দিলেন প্রকৃত মালিকদের।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।

পশ্চিম বাংলার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার করা হয়েছে মোট একশত ষাটটি মোবাইল ফোন। যে গুলো কেউ চুরি করে নিয়ে গিয়েছিলেন। কেউ ভুলবশত ফেলে রেখে গিয়েছিল। কারও বা ছিনতাই করে নিয়ে গিয়েছিল। এমন অভিযোগ পেয়ে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিচ্ছিন্ন যায়গায় হানা দিয়ে মোট একশত ষাটটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কারণ ভারতের বিভিন্ন যায়গায় থেকে ঘুরতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে খোওয়া যায় এই মোবাইল ফোন গুলি। কারণ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার অন্তর্গত গঙ্গা সাগরের কপিল মনির আশ্রমে আসেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। তাছাড়া ডায়মন্ড হারবার নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ। এবং এই ডায়মন্ড হারবার যাওয়ার রাস্তা দিয়ে সুন্দর বন যাওয়ার বহু রাস্তা রয়েছে এবং ডায়মন্ড ডায়মন্ড হারবার মহাকুমার অধীনে ভাগীরথী নদীর জেটি রয়েছে যা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় যাতায়াত করে। ঐ সময় অনেক মানুষের কাছ থেকে মোবাইল ফোন চুরি ও খোয়াই যায় মোবাইল ফোন। ট্রেন ও বাসে এবং ভেসেল হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এবং বহু ক্ষেত্রে চুরি যাওয়া মতো ঘটনা ঘটেছে। সেই সব অভিযোগ পেয়ে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এবং বহু যায়গায় থেকে উদ্ধার করা হয় মোট একশত ষাটটি মোবাইল। তা পশ্চিম বাংলার এবং ভারতের বিভিন্ন যায়গায় থেকে আগত মানুষের মধ্যে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এই মোবাইল ফোন। এই কাজটি সম্পন্ন করেন ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের সুপার শ্রী অভিজিৎ ব্যানার্জী আই পি এস। এবং ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের এস ও জি এবং ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের অধীনে বিভিন্ন থানার আই সি ও ওসি রা। কিছুদিন আগে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের অধীনে উস্হি থানার ওসি শ্রী অভিষেক বাবু ও অফিসার জনাব মিহির বাবু এবং উস্হি থানার ও মগরাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত সার্কেল অফিসার শ্রী বিশ্বজিৎ পাত্র বহু মানুষের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেন। অপরাধ মুক্ত জেলা গড়তে বদ্ধপরিকর ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি