১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

ডায়মন্ডহারবারের জেলা পুলিশের তৎপরতায় পিস্তল ও বাইক সহ একটি গ্যাঙ ডাকাতের দল।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।।

পশ্চিম বাংলার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ডায়মন্ডহারবারের জেলা পুলিশের অধীনে ডায়মন্ডহারবার থানা আই সি এবং রামনগর থানার আই সি ও পারুলিয়া থানার ওসি এবং বারুইপুর জেলা মহিলা পুলিশের আই সি নেতৃত্বে বিশেষ একটি টিমের সদস্যদের তৎপরতায় পিস্তল ও বাইক সহ ধরা পড়েছে একটি ডাকাত দলের গ্যাঙ। ধৃত ডাকাতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চারটি, ৭,এমএম, অটোমেটিক পিস্তল ও, ১৭,রাউন্ড, তাজা কার্তুজ এবং দুই টি মোটরবাইক এবং ডাকাতি ও ছিনতাই করার জন্য ব্যাবহৃত যন্ত্র পাতি। তবে গোপন তথ্য সংগ্রহ করে এই ডাকাত দলের সদস্যদের ধরতে সক্ষম হয়েছে ডায়মন্ডহারবারের জেলা পুলিশের অধীনে ডায়মন্ড হারবার এস ডি পি ও শ্রী মিটুন বাবুর নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ টিম। ডাকাতির ঘটনার আগে থেকেই এই দলটি ধরা পড়াতে বড়সড় ডাকাতির হাত থেকে বাচাতে পেরেছে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ। সন্ত্রাস মুক্ত ও অপরাধ মুক্ত ডায়মন্ড হারবার জেলা তৈরি করতে বড় ভূমিকা পালন করছেন ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ। তারা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন যায়গায় নাকা চেকিং চালিয়ে যাচ্ছেন অপরাধ কমাতে ও কোভিড করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।।

 

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি