১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রমিক নেতার ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আব্দুস সালাম রুবেল ,ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

 

শ্রমিক নেতা আব্দুর রাজ্জাকের উপর সন্ত্রাসী হামলা ও জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে ঠাকুরগাঁও জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী, কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়ন মানববন্ধন করেছে।

 

রবিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে শহরের পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড গোলচত্বরে এক ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন সোহেল, রোড সম্পাদক উজ্জল, কোষাধ্যক্ষ বুলেট ইসলাম, শ্রমিক নেতা লাবু ইসলাম লাবুসহ অনেকে।

 

এ সময় শ্রমিক নেতারা ঘটনার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন তারা।

 

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম বলেন এখনও পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

উল্লেখ্য, শনিবার ( ৩০ অক্টোবর) রাতে একদল সন্ত্রাসী পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড এলাকা থেকে শ্রমিক নেতা আব্দুর রাজ্জাককে তুলে নিয়ে নির্যাতন চালায়। পরে সঙ্গাহীন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ঠাকুরগাঁও জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী, কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়ন তাৎক্ষনিক ভাবে রাস্তা অবরোধ করে রাখে। পরে পুলিশ এসে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কথা বললে অবরোধ তুলে নেয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।