২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ট্যাঙ্কার হামলায় ইরানকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

গত সপ্তাহে ওমান উপকুলের বাইরে অবস্থান করা ‘দ্য এমভি মার্সার স্ট্রিট’ ইসরায়েলি তেল ট্যাংকারে ড্রোন হামলায় দুজন ক্রু নিহতের ঘটনায় ইরানকে দোষারোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। পাশাপাশি ইরানকে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন লঙ্ঘনের দায়েও অভিযুক্ত করেছে ইসরাইয়েলের মিত্র এই দুটি দেশ।

ট্যাঙ্কার হামলার পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট বলেন, এই ঘটনায় যুক্ত থাকার পিছনের ইরানই দায়ী এবং আমাদের কাছে তার উপযুক্ত প্রমান রয়েছে। আমরা জানি কিভাবে ইরানকে তার উচিত জবাব দিতে হবে এবং আমরা আমাদের মত করেই জবাব পাঠাবো। আমরা আশা করি, বিশ্বনেতৃবৃন্দ ইরানের এই গুরুতর অপরাধ সম্পর্কে নিশ্চয়ই অনুধাবন করবে।

ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এমন বিবৃতি প্রকাশ পাবার পর পরই যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য থেকে বিবৃতি দেয়া হয়। রোববার (১ আগস্ট) যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব বলেন, ‘লন্ডন বিশ্বাস করে যে এমভি মার্সার স্ট্রিটে একাধিক ড্রোন হামলার পিছনে ইরান দায়ী। ইচ্ছেকৃতভাবে এই হামলা চালিয়ে ইরান আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করেছে। ইরানকে অবশ্যই এসব হামলা বন্ধ করতে হবে এবং নৌযানগুলোকে স্বাধীনভাবে চলাচল করতে দিতে হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট সেক্রেটারি অ্যান্টোনি ব্লিনকেনও একই সুরে বলেন, ‘ওয়াশিংটনও দৃঢ়ভাবে মনে করে যে হামলাটির পিছনে ইরানই দায়ী এবং তাদের বিপক্ষে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন করা উচিত।’

ইরান তাদের বিপক্ষে আনীত এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র সাইয়েদ খাতিবযাদেহ বলেছেন, এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। জিওনিস্টরাই বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদ ও হিংস্রতা ছড়িয়ে মানুষের মাঝে অনিরাপত্তা তৈরি করেছে। ইসরায়েলকে অবশ্যই ইরানের বিরুদ্ধে এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ বন্ধ করতে হবে, নয়ত তাদেরকে এসবের ফলাফল ভোগ করতে হবে।’

গত মার্চ থেকে ইরান ও ইসরায়েল পরিচালিত নৌযানগুলোতে আক্রমন-পাল্টা আক্রমনের ঘটনা প্রতিনিয়তই ঘটছে। এ নিয়ে উভয় দেশই একে অপরকে পাল্টা দোষারোপ করে আসছে। গত সপ্তাহের ঘটনাটি দুটি দেশের মধ্যকার চলমান ছায়া-যুদ্ধের নতুন সংস্করন হিসেবে গন্য করা হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।