২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ঝিনাইদহে অবৈধ ভাবে সীমান্ত পারাপার  বিজিবির হাতে আটক ১৫।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঝিনাইদহ থেকে শাকিল আহমেদ।

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ভাবে সীমান্ত পারাপারের সময় মহেশপুর ৫৮ বিজিবির হাতে নারী ও শিশুসহ ১৫ জন আটক হয়েছেন। শুক্রবার মহেশপুর উপজেলার একাশিপাড়া, গোপালপুর ও জুলুলী গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান এক ই-মেইল বার্তায় এ তথ্য জানান। আটককৃতরা হলেন মাদারীপুর জেলার কালকিনী থানার শশিকর গ্রামের সুশান্ত রায়ের স্ত্রী মনিকা রায় (৩৫) ছেলে সৈকত রায় (১৬), গোপালগঞ্জ জেলার টুংগীপাড়া থানার গোপালপুর গ্রামের বুদ্ধিমন্ত মন্ডলের ছেলে গৌরঙ্গ মন্ডল (২১), সুশান্ত বৈরাগীর ছেলে সৌরভ বৈরাগী (২২) একই উপজেলার ভেন্নাবাড়ী গ্রামের নকুল রায়ের মেয়ে প্রিয়াংগা রায় (১৭), নড়াইল জেলার সদর থানার বাগডাংগা গ্রামের মোঃ বাকি মোল্লার ছেলে মোঃ মিলন মোল্লা (২৪), মোঃ মিলন মোল্লার স্ত্রী মোছাঃ বন্যা আক্তার (১৯), একই গ্রামের মোঃ আলম মোল্লার ছেলে মোঃ আকাশ মোল্লা (২৬), মোঃ আকাশ মোল্লার স্ত্রী মোছাঃ জেবুন্নেছা খানম (২৪) ইমারত মোল্লার মেয়ে পান্না খানম (২৫), কালিয়া থানার দাড়িয়াঘাটা গ্রামের মোঃ লেকবার শেখের ছেলে মোঃ ইছানুর শেখ (২৮) শরিয়তপুর জেলার গোসাইর হাট থানার চরধিপুর গ্রামের আলীবক্স সরদার এর ছেলে ফয়সাল সরদার (২৬), নড়াইল জেলার সদর থানার বীর গ্রামের সুশান্ত বিশ্বাসের ছেলে সুজিত বিশ্বাস (৪০), আগদিয়া গ্রামের বিজন অধিকারী এর ছেলে টিংকু অধিকারী (২৩) এবং যশোর জেলার কোতয়ালী থানার বাগডাংগা গ্রামের মৃত বিভাশ বিশ্বাস এর ছেলে বিন্দাবন বিশ্বাস (২৫)। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানায় পাসপোর্ট আইনে মামলা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি