১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ঝিকরগাছায় ব্রিজ বাস্তবায়নে ৫১সদস্যের আহবায়ক কমিটির গঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শাহাবুদ্দিন মোড়ল ঝিকরগাছা যশোর :

কপোতাক্ষ নদের উপর অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত নদ মারা সেতু অপসারণ, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সেতু নির্মাণ,নদের জমি অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মুক্তকরণ এবং অপরিকল্পিত সেতু নির্মাণের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সকলের বিচারের দাবীতে যশোরের ঝিকরগাছায় ব্রিজ বাস্তবায়নে ৫১ সদস্যের আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় অরাজনৈতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবা অফিস কার্যালয়ের এই আয়োজনে দেশবরেণ্য কথাসাহিত্যিক বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেনউদ্দিন হোসেন প্রধান উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার নুর জালাল, আমানুল কাদের টুল্লু, সুলতান আহমেদ, শাহানা আক্তার, মোবাশ্বের হোসেন বাবু, মতিয়ার রহমান কে উপদেষ্টা করে আহবায়ক কমিটি গঠিহ হয়। উক্ত আহবায়ক কমিটির আহবায়ক হয়েছেন, অরাজনৈতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবা’র প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মাস্টার আশরাফুজ জামান বাবু। কমিটিতে যুগ্ম আহবায়ক হয়েছেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যাণ ট্রাষ্টের ঝিকরগাছা উপজেলা শাখার সভাপতি সাজ্জাদ নুরুল হক বিন্তু, সদস্য হয়েছেন, অরাজনৈতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবা’র সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক আফজাল হোসেন চাঁদ, বাবুল আক্তার, সাইফুল ইসলাম, কবির হোসেন, শাকিল আহমেদ মিলন, নারায়ন অধিকারী, ফারুক আহমেদ সহ আরো অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে ঝিকরগাছা ব্রিজ সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী করার দাবিতে আবারও বাসস্ট্যান্ডে একটি জনসভা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি