২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

ঝিকরগাছার কপোতাক্ষ ব্রিজে ক্রমাগতই চলছে তদন্ত : আশার আলো দেখতে পাবে কি যশোরবাসী !    

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শাহাবুদ্দিন মোড়ল ঝিকরগাছা (যশোর) :

 

যশোরের ঝিকরগাছায় কপোতাক্ষ নদের উপর অপরিকল্পিত ভাবে নির্মিত নদ মারা ব্রিজের বিষয়ে স্থানীয় জনতার দাবীতে ক্রমাগতই চলছে তদন্ত। আর এই তদন্তে আশার আলো দেখতে পাবে কি যশোরবাসী এটা নিয়ে জনমতে বিভিন্ন ধরণের প্রশ্ন উকি দিতে দেখা যাচ্ছে। গত ০৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসন ও ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (বাংলাদেশ) সওজ ও সড়ক বিভাগ যশোরের আয়োজনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এপরই সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় আবারও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের ৫ সদস্যের একটি টিম সরজমিনে তদন্ত করেও প্রকৃতপক্ষে ব্রিজ তৈরিতে তাদের অনুমতি ও ব্রিজের শ্রেণি বিন্যাসে সঠিক নিয়ম কানুন মানা হয়নি এবং ঝিকরগাছায় কপোতাক্ষ নদের উপর গেজেটের তৃতীয় শ্রেণির সেতু নির্মানে ১৬ ফুট নিচু হয়েছে বলে বিআইডব্লিউটিএ’র তদন্ত টিম সরেজমিনে তদন্তপূর্বক স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের নিকট এটা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের ৫ সদস্যের টিমের আহবায়ক ছিলেন, খুলনা দক্ষিণ ব-দ্বীপ শাখা, বাঅনৌপক এর যুগ্ম পরিচালক (নৌ-সওপ) মোঃ আশরাফ হোসেন, সদস্য খুলনা নদী বন্দর বাঅনৌপক উপ পরিচালক (বওপ) দিপক কুমার ঘোষ, খুলনা প্রকৌশলী বিভাগ খুলনা ডিভিশন বাঅনৌপক এর নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) মোঃ রবিউল ইসলাম, সদস্য সচিব ঢাকার নৌ-সওপ বিভাগ বাঅনৌপক এর উপ পরিচালাক (সদর দপ্তর, চ.দা) শাহ আলম, সদস্য ঢাকার হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ বাঅনৌপক এর উপ সহকারী পরিচালক (জরিপ) তপন সিকদার। এসময় তাদেও সাথে ছিলেন, ঝিকরগাছা ব্রিজ বাস্তবায়ন কমিটির উপদেষ্টা আমানুল কাদির টুল্লু, আহবায়ক মাস্টার আশরাফুজ জামান বাবু, সদস্য- তফিকুল ইসলাম স্বপন, আতাউর রহমান জসি, নুরুল্লাহ খান রুমি, তরিকুল ইসলাম, আফজাল হোসেন চাঁদ, উজ্জল হোসেন, সুমন, আবু বক্কার, নরায়ণ চন্দ্র সহ আরো অনেকে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি