১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

ঝিকরগাছার অসহায় মানুষের পাশে আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শাহাবুদ্দিন মোড়ল ঝিকরগাছা যশোর :

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার অসহায় মানুষের পাশে আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বলে দাবি করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (হাসপাতাল) ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার(আরএমও) ডা: এস.কে. রাজিবুল ইসলাম। হাসপাতালের অন্তঃবিভাগে গিয়ে সরজমিনে দেখা যায় তিনি প্রতিটি গুরুতর রোগীর কাছে গিয়ে মনোযোগ সহকারে সমস্যার কথা শুনে চিকিৎসা দিচ্ছেন। নিজ হাতে রোগীর প্রেসার এবং ডায়াবেটিস মাপছেন। তার সেবায় হাসপাতালে চিকিৎসাা নিতে আসা রোগীরা বেশ সন্তুষ্ট। করোনার মধ্যেও নিজের জীবনে ঝুঁকি নিয়ে রোগীর কাছে গিয়ে চিকিৎসা দেওয়া ডাক্তারে সংখ্যা অনেক কম হলেও উনি নিয়মিত রোগীদের সেবা দান করছেন। ইতিমধ্যে চলতি আগষ্ট মাসের শুরুতেই তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (হাসপাতাল) ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার(আরএমও) ডা: এস.কে. রাজিবুল ইসলাম বলেন, আমাকে যখন কেউ প্রশ্ন করে, ডাক্তার সাহেব হাসপাতালে কি সিজার হচ্ছে? ডাক্তার সাহেব, বাচ্চার মায়ের প্রসব বেদনা উঠেছে, কি করবো? তখন মনটা খারাপ হয়ে যায়। জনগনের মনে ভয় ধরিয়ে তাদেরকে বছরের পর বছর সরকারি হাসপাতাল বিমুখ করছে একদল অসাধু দালাল। আমি ঝিকরগাছাবাসী কে জানাতে চাই, আপনারা সরকারি হাসপাতালে আসুন। ২৪ ঘন্টা সহজ সন্তান প্রসব নিশ্চিত করার জন্য আমাদের রয়েছেন ৪ জন প্রশিক্ষিত মিউ-ওয়াইফ। সকাল ৮টা থেকে ২টা অবধি প্রতিদিন সিজার করছেন জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা: আঞ্জুমান আরা ইলোরা (এফসিপিএস গাইনি এন্ড অবস) সম্পুর্ণ বিনামুল্যে ঝিকরগাছা হাসপাতালে সিজার এনং নরমাল ডেলিভারি হচ্ছে। আপনারা আসুন, ভরসা রাখুন। সরকারি হাসপাতাল থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। এছাড়াও তিনি করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে হালকা জ্বর, শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রায় জ্বর, গায়ে ফুসকুড়ি ও প্রচন্ড মাথাব্যাথা হয়। আপনার ডেঙ্গু বা করোনাভাইরাস হয়েছে সন্দেহ হলে, সাথে সাথে সরকারি হাসপাতালে এসে ডাক্তারের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন এবং তার পরামর্শ মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি