২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ঝালকাঠিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপারেশন থিয়েটার উদ্বোধন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আবু সায়েম আকন, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ

 

ঝালকাঠির রাজাপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপারেশন থিয়েটার ও একটি নতুন এম্বুলেন্স উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় এমপি বজলুল হক হারুন উপস্থিত থেকে এগুলো উদ্বোধন করেন।

 

উদ্বোধন শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে বজলুল হক হারুনের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরউজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোক্তার হোসেন, ঝালকাঠি জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সঞ্জিব কুমার বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুল আলম সরফরাজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা আক্তার লাইজু, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের মাহমুদ, অফিসার ইনচার্জ পুলক চন্দ্র রায়, রাজাপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. গোলাম বারি খান, উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. নুরুল ইসলাম খলিফা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজাপুর উপজেলা ছাত্রলীগ আবদুল্লাহ আল হাসান বাপ্পি প্রমূখ।

 

প্রসঙ্গত রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার ৫১ বছর পরে এই প্রথম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো. আবুল খায়ের মাহমুদ এর প্রচেষ্টায় অপারেশন থিয়েটার চালু হতে যাওয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। উপজেলার নিম্ন আয়ের মানুষের অপারেশনের প্রয়োজন হলে তারা স্থানীয় ক্লিনিকে গিয়ে অপারেশন করাতো। যাতে তাদের বিল মিটাতে পোহাতে হতো অনেক ঝামেলা। কেউ ধারদেনা করে, কেউবা আবার এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ক্লিনিকের বিল মিটাতো।

 

স্থানীয় পারভেজ খান বলেন, অপারেশন থিয়েটার চালু হওয়ায় গরিব মানুষের ভোগান্তি কমে যাবে। অর্থের কারনে চিকিৎসা নিতে এখন আর কেউ বিলম্ব করবেনা। আমরা ডাঃ আবুল খায়ের মাহমুদ স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞ।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।