১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

জুড়ীর শুকনাছড়া গ্রামের কাদাযুক্ত রাস্তা, ভোগান্তিতে ৫০০ পরিবারের মানুষ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ জাকির হোসেন জুড়ী (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের শুকনাছড়া গ্রামের একমাত্র যাতায়াতের রাস্তাটির অবস্থা অত্যন্ত বেহাল। বর্ষাকালে এ রাস্তার উপর থাকে হাটু সমান কাদা আর শুকনো মৌসুমে ময়লা-আবর্জনার কারণে এলাকাবাসীদের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।

 

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এই রাস্তাটি সম্পূর্ণ কাঁচা। রাস্তার বেশ কিছু জায়গায় ২০/৩০ ফুট দুরত্বে ৩০-৪০ ফুট দীর্ঘ কাদা। রাস্তার মধ্যে কাদা থাকায় শুকনো মৌসুমেও সাঁকো ব্যবহার করে রাস্তার পারাপার করেন শুকনাছড়া গ্রামের লোকজন। এরমধ্য রাস্তাটি অবস্থা খুবই বেহাল।

 

স্থানীয় মুরুব্বী ফরিদ মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের রাস্তায় কোন কাজ হয়নি। আমাদের গ্রামের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি কাদার কারণে চলাচল অনুপযোগী। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দীর্ঘদিন থেকে রাস্তার কাজ করে দিবেন বলে আশ্বাস দিচ্ছেন। বাস্তবে এখনো পর্যন্ত কোন কাজ হয়নি। ইউপি চেয়ারম্যান ২২ বছর যাবত কথা দিয়ে ও এ রাস্তার কাজ করাননি। ইতিমধ্যে এলাকাবাসীর উদ্যোগে রাস্তার মাটি ভরাট কাজ করা হয়েছে।

 

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাবেক ৮নং গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সোহাগ আহমেদ বলেন, গ্রামের স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা এই কাদা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে অনেক বেশি সমস্যায় পড়েন। ছাত্রছাত্রীরা স্কুল কলেজে আসা-যাওয়া করতে হয়। এছাড়া অসুস্থ রোগীদের খুব কষ্টকরে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি পাকা করে দুর্ভোগ লাঘব করতে ইউপি চেয়ারম্যানের দৃষ্টি কামনা করতেছেন গ্রামবাসী।

 

এ ব্যাপারে গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন আহমদ লেমনকে বারবার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি৷

 

 

এ ব্যাপারে জানান ইউপি সদস্য অনিল মুন্ডা পাটোয়ারী, বলেন৷ অনেকবার সাথে চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে কথা হয়েছে রাস্তার জন্য কিন্তু এখন পর্যন্ত কাজ হয়নি আমি ও রাস্তার কাজ হোক

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি