২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

জুড়ীতে গরু নিয়ে পালানোর সময় জনতার হাতে আটক ২ চোর।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ জাকির হোসেন জুড়ী (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ

 

 

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় গরু চুরি করে পালানোর সময় জনতার হাতে ২ চোর আটক হয়েছে।

 

জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সঞ্জয় চক্রবর্তী, দিকনির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করেন এসআই বাদল, নেতৃত্ব এসআই জাকির, এএসআই। মনিরুল ইসলাম,সঙ্গীয় ফোর্স,

 

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটায় উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামে এই দুই গরু চোরকে আটক হয়েছে। আটককৃতরা হলেন উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের মনতৈল গ্রামের শিপলু আহমদ (২৫ ), মানিক সিংহ এলাকার মোঃ বাদশা মিয়া (৩০ )

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের আঁধারে ৫ জন গরু চোর তিনটি গরু একটি পিকআপে করে নিয়ে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে স্থানীয় ইউপি সদস্য তাদেরকে থামতে বললে তারা গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়রা মিলে ২ চোরকে আটক করে।

 

 

৪ নং ওয়ার্ড কৃষ্ণনগরের ইউপি সদস্য স্বপন বিশ্বাস বলেন, গাড়ীতে গভীর রাতে গরু থেকে সন্দেহ হলে তাদের থামতে বলায় তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ২ জনকে আটক করি। এ সময় আরোও ৩ জন পালিয়ে যায়‌। পরে পুলিশ কে খবর দিলে ভোরে চোরসহ গরু ও তাদের ব্যবহৃত গাড়ী আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

 

এ ব্যাপারে জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, আটককৃত আসামীকে চুরির মামলা আটক করা হয়েছে। চোর ধরতে জুড়ী থানা পুলিশে কে ও তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ করছি।

উক্ত আসামীকে অদ্য ৮/৯/২০২১ইংবিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলা নং ৩ ধারা ৪৫৭/৩৮০ তারিখ ৮/৯/২০২১

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি