১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

 জলবায়ু যোদ্ধা কামরুজ্জামানের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে এক অন্য যুদ্ধ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ঃ

আগ্রহ বা মনোবল একজন মানুষকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে অর্থ বা শক্তি সামর্থনা থাকলেও ইচ্ছা শক্তির বলেই সমাজের অনেক ছোট বড় কাজকে বাস্তবায়ন করা

সম্ভব।

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলোরে এই নীতিকে মাথায় নিয়ে এলাকারজলাবদ্ধতা দূরী করণে অতি পুরাতন একটি স্লুইচগেট সংস্কারের দাবী নিয়ে

পরিবেশ সচেতন যুবক কামরুজ্জামান একাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণে হাতে লেখাপোষ্টার নিয়ে দাবী জানালেন।

ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের কল্যাণপুরস্লুইচগেটের উপরে। কামরুজ্জামানের ভাষ্যমতে কল্যাণপুর স্লুইচগেটটি

পুরাপুরি বন্ধ থাকার কারণে শ্যামনগর সদর, ভূরুলিয়া ও নুরনগর ইউনিয়নেরপ্রায় ১০ হাজার বিঘা জমির পানি নিস্কাশন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।

মাদার নদীর উপরে অবস্থিত স্লুইচগেটটি প্রায় অর্ধ শতাধিক বছর পূর্বে এটিনির্মান করা হয়। তবে কেহ কেহ নির্মানকাল আরও বেশী সময় বলেছেন। রামজীবনপুর

গ্রামের আব্দুল আজিজ এটি তৈরীর মিস্ত্রী ছিলেন ও বিশ^নাথ নামে এক ব্যক্তিস্থানীয় গেটটি দেখাশুনা করতেন বলে কামরুজ্জামান জানান। গেটটি ঝুঁকি

পূর্ণ হওয়ায় এখান থেকে আনুমানিক ৮/৯ বছর পূর্বে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কামরুজ্জামান ও অন্যান্যদের মতে বন্ধ থাকার কারণে ধীরে ধীরে এলাকায় অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে থাকে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অতি বর্ষণ জনিত

কারণে শ্যামনগরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় অধিকাংশ ইউনিয়নে। উপজেলা প্রশাসনথেকে বিভিন্ন ইউনিয়নে জলাবদ্ধতা দূরী করণে গ্রহণ করা বিভিন্ন পদক্ষেপ।

সেই সময়ে সদর ইউপির কল্যাণপুর গ্রামবাসী দাবী জানিয়ে থাকেন উপজেলাপ্রশাসন সহ ইউপি কতৃপক্ষের নিকট কল্যাণপুর স্লুইচগেট সংস্কার অথবা নতুন

তৈরীর।কল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দা পরিবেশ ও জলবায়ু সচেতন স্বেচ্ছাসেবক তরুণ

কামরুজ্জামান অতিপুরাতন স্লুইচগেটটি সংস্কার অথবা নতুন করে তৈরী করে পানিনিস্কাশনের উপযোগী করে তোলার জন্য কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণে চেষ্টা

চালিয়ে যাচ্ছেন বা চেষ্টা করেন। তিনি জলবায়ু পরিষদ শ্যামনগরের একজনস্বেচ্ছাসেবক। বেকার পড়ালেখা করা যুবক কামরুজ্জামান সামাজিক সচেতনতা

সৃষ্টি মূলক কাজ ইতিপূর্বে বেশ কিছু করেছেন। এ সকল কাজে নিজে বিভিন্নভাবে অর্থ সাশ্রয় করে ব্যয় করে থাকেন। কোন কোন সময় বন্ধুদের সহায়তা নিয়েথাকেন বা বন্ধুরা এক সাথে কাজ করে থাকেন।

শুধু কামরুজ্জামান নয় এলাকাবাসীর দাবী জলাবদ্ধতা দূরীকরণে কল্যাণপুরস্লুইচগেট অতিদ্রুত সংস্কার কার্যক্রম শুরু করার।

 

ছবি- শ্যামনগর কল্যাণপুর স্লুইচগেট সংস্কার দাবী নিয়ে পোষ্টার হাতেজলবায়ু সচেতন কামরুজ্জামান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি