২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

জনপ্রশাসন পদক‌২০২১ পেলেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবদুল ওয়াদুদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাশিদুজ্জামান সরদার ডুমুরিয়া খুলনা প্রতিনিধি
ডুমুরিয়া (খুলনা)২৭ জুলাই মঙ্গলবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ।গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালের জনপ্রশাসন পদক এবার একসঙ্গে দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালের জন্য জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দেওয়া হয়েছে ১৫টি এবং ২০২১ সালের জন্য ২০টি পদক।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী মধ্যে বানীশান্তা যৌনপল্লিতে জন্ম নেওয়া সমাজচ্যুত শিশুদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার জন্য এই পদক পেলেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ ।
উল্লেখ্য ‌১৫ লাখ ৪ হাজার ৯১৩ জন। এর মধ্যে গত ৭ জুন পর্যন্ত সহকারী সচিব থেকে সচিব পর্যন্ত প্রশাসন ক্যাডারে মোট কর্মকর্তা ৬ হাজার ৩০৬ জন। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই বিভিন্ন ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠছে। এর ফলে অনেকের ভালো কাজ আড়ালে পড়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কয়েকজন কর্মকর্তা জানালেন, বর্তমানে অসংখ্য কর্মকর্তা খুব ভালো কাজ করছেন। কিন্তু কিছুসংখ্যক কর্মকর্তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারনে সবাইকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। এ জন্য দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন নীতি কঠোরভাবে প্রতিপালন করা দরকার।
 খুলনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন ও তাঁর দল এই পদক অর্জন করেছেন । এর মধ্যে সাবিনা ইয়াসমিন ‌কন্যারত্নের জন্য এবং হেলাল হোসেন ও তাঁর দল বানীশান্তা যৌনপল্লিতে জন্ম নেওয়া সমাজচ্যুত শিশুদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার জন্য এই পদক পেলেন ।ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবদুল ওয়াদুদ । তিনি বলেন
অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান সাবেক ও বর্তমান জেলা প্রশাসক সহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে,আমার পরিবারের সকল সদস্যকে, অন্যান্য শুভাকাঙ্ক্ষীদেরকে। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই ডুমুরিয়া ও দাকোপ উপজেলার সম্মানিত সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা সর্বোপরি উপজেলা বাসীরপ্রতি।
এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি