২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

চুকনগর বাজারের যতীন কাশেম রোড পরিদর্শন করেন হারুন-অর-রশিদ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সরদার বাদশা নিজস্ব প্রতিনিধি।

 

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ৫নং আটলিয়া ইউনিয়নের চুকনগর শহরের যতীন কাশেম রোডের দুই পাশে দীর্ঘদিন যাবৎ অপ দখলে থাকা যায়গা পুনরুদ্ধার করে খুলনা জেলা পরিষদ। গতকাল উদ্ধারকৃত যায়গায় পরিদর্শন করেন খুলনা জেলা পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান জনাব হারুন-অর-রশিদ তিনি বলেন সরকারের নিয়ম-নীতি মেনে চুকনগর বাজার এর পানি নিষ্কাশনের ড্রেন ও জেলা পরিষদের রেভিনিউ আদায় শর্তে দোকান নির্মাণ করা হবে ।খুলনা জেলা পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান আরো বলেন সরকারের নিয়ম-নীতি মেনে জনসাধারণের কল্যাণে কাজ করবে তিনি, চুকনগর বাজারের কমিটির দীর্ঘদিনের দাবি চুকনগর বাজারের ড্রেন নির্মাণ ও বিদ্যুৎ খুঁটি অপসারণ করে সুশৃংখল নিয়ম তান্ত্রিক ভাবে অন্যত্র সরিয়ে নেবার আশ্বাস দেন তিনি, তিনি আরো বলেন জনগণের কল্যাণে সরকারের নিয়ম-নীতির মধ্য দিয়ে কাজ করবেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমেদ, ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আঃ ওয়াদুদ, ও ৫ নং আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান এ্যাডঃ প্রতাপ কুমার রায় , ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ওবায়দুর রহমান সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা। আরো উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম ফারুক হোসেন, ও চুকনগর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি প্রহ্লাদ ব্রহ্ম সাধারণ সম্পাদক সরদার অহিদুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা সরদার সিরাজুল ইসলাম ও ৫ নং আটলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার শরিফুল ইসলাম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি