১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

চুকনগর খর্নিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশের উদ্যোগে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

  • সরদার বাদশা, চুকনগর প্রতিনিধি।

 

মুজিববর্ষের মূলমন্ত্র- কমিউনিটি পুলিশিং সর্বত্র। মাদক ও চোরাচালান নির্মূল, সড়ক দূর্ঘটনা হ্রাস, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ রোধ,মহাসড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা,চুরি,ডাকাতি,ছিনতাই এবং চাঁদাবাজি রোধে জন সচেতনতার লক্ষে বাস, ট্রাক,মাহেন্দ্র ও ইজিবাইক মালিক শ্রমিকদের নিয়ে এক সমাবেশের আয়োজন করে খুলনার ডুমুরিয়ার খর্নিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশ।

গতকাল বিকাল ৪ টায় ডুমুরিয়ার খর্নিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ মোঃ মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি চুকনগর ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এ বি এম সফিকুল ইসলাম। সমাবেশে প্রধান অথিতি বলেন, সরকারি নির্দেশনা ও আইন মেনে সকলকে মহাসড়কে চলাচল করতে হবে।

বিশেষ অতিথিঃ খুলনা জেলা ট্রাফিক সার্জেন্ট মোঃ রাসেল আহম্মেদ, সাংবাদিক ব্রহ্ম, চুকনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি রুহুল আমিন ,সাধারন সম্পাদক শংকর ঘোষ।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, খুলনা বাস মালিক সমিতির লাইন সম্পাদক আঃ হাই, বাবুল আক্তার।

চুকনগর অাঞ্চলিক বাস মালিক সমিতির আহবায়ক আনোরুল ইসলাম, সদস্য’ সচিব বিধান চন্দ্র তরফদার, নিতাই নন্দী,

ট্রাক মালিক ও শ্রমিক সমিতির গৌতম ঘোষ,টুটুল,

মাহেন্দ্র মালিক সমিতির সভাপতি আলতাপ হোসন, তুহিন, মনিরুল,

ইজিবাইক মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল কাদের প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদকর্মীবৃন্দ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন খর্নিয়া হাইওয়ে থানার এসআই মলয়েন্দ্র নাথ রায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি