১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

চাতরী চৌমুহনী বাজারে অবৈধ স্থাপনায় উচ্ছেদ ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শেখ আবদুল্লাহ আনোয়ারা প্রতিনিধি::

 

আনোয়ারা উপজেলার চাতরী চৌমুহনী মোড়ে যানজট নিরসনে ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ভাসমান দোকান ও মূল সড়কের উপর গাড়ি পার্কিংয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার ( ২১ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জুবায়ের আহমেদের নেতৃত্বে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর হাসান চৌধুরীর সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুপুর ১টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘন্টা অভিযান চালিয়ে ফুটপাত দখল করে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে মালামাল জব্দ করা হয়। ফুটপাত দখল করে বার বার অবৈধ দোকানপাট গড়ে তুলার কারণে ৮ জনকে আটক করা হয়। এবং সড়কে সিএনজি পার্কিং করা চালকদের থেকে মুছলেকা নেওয়া হয়।

 

অভিযান পরিচালনাকালে ভূমি কমিশনার তানভীর হাসান চৌধুরী বলেন, এই এলাকায় আমি যোগদান করার পরে কমপক্ষে হলেও পঞ্চাশ বারের মতো অভিযান পরিচালনা করেছি। কিন্তু সকালে উচ্ছেদ করলে বিকালে তারা আবারো বসে নিত্য যানজট সৃষ্টি করে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা ছাড়া মানবিকতা দেখানোর কোন সুযোগ নেই।

 

অভিযানে নেতৃত্বদানকারী ইউএনও শেখ জুবাযের আহমেদ বাজারের ইজাদারকে ডেকে স্পষ্ট করে বলে দেন আগামীতে ফুটপাতে কোন দোকান বসিয়ে যদি ইজারাদার কমিটি কোন হাসিল তুলে তাহলে ইজাদারকে জেল জরিমানা করা হবে। পরে ট্রাফিক ইনচার্জকে ডেকে কোন ধরণের যানজট যাতে সৃষ্টি না হয় সেজন্য সার্বক্ষণিক গুরুত্ব সহকারে ট্রাফিক টিমকে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেন।

 

পরে ইউএনও বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকে উপজেলা ইউএনও কার্যালয়ে গিয়ে কোন স্থানে বাস রাখলে চৌমুহনী মোড় যানজট মুক্ত থাকবে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে বলেন। তিনি সিএনজি ও ফলের ব্যবসায়ীদের আটক করে মুছলেকা নিয়ে পরবর্তীতে ছেড়ে দেন। জব্দ করা ফলগুলো ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন এতিম খানায় দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।

 

প্রশাসনের এমন উদ্যোগে যানজট মুক্ত হওয়ায় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান পথচারী ও যাত্রীরা। চাতরী চৌমুহনীতে অভিযান পরিচালনার সময় শতশত যাত্রী ও পথচারীরা চাতরী চৌমুহনীকে যানজট মুক্ত রাখতে প্রশাসনের এই রকম অভিযান অব্যাহত রাখতে দাবী জানান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি