১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাতে কবির নানাচুর নামক কারখানাতে ৩০০০০ জরিমানা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নয়ন ঘোষ ।

 

অদ্য ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রি. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জাতীয় ভোক্তা-অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্ত‌রের মহাপরিচালক(অতিঃ সচিব) মহোদয়ের অর্পিত ক্ষমতাবলে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনায় এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যাল‌য়ের সহকারী প‌রিচালক মো: জহিরুল ইসলামের নেতৃ‌ত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় তদারকি কার্যক্রম প‌রিচালনা করা হ‌য়ে‌ছে ।

 

উক্ত বাজার অভিযানে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্য করায় ০১ টি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর অধীনে ৩০,০০০(ত্রিশ হাজার) জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। অভিযান পরিচালনার সময় দেখা যায় কবির নানাচুর নামক ফ্যাক্টরিতে পোকা মিশ্রিত মেয়াদ উত্তীর্ণ চিড়া, ডাল, ভাংগা চাল ও নোংরা আটা দিয়ে তৈরি বেসন দিয়ে চানাচুর তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া এই অস্বাস্থ্যকর বেসন বিভিন্ন হাটেও বিক্রি করা হয়।

 

এসময় জনগণের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

 

কৃতজ্ঞতাঃ উপজেলা প্রশাসন, সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

সহযোগিতায়: সদর থানা পুলিশের চৌকষ টিম ।

 

জনস্বার্থে এ কার্যক্রম চলতে থাকবে ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি