১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫টি দেশীয় অস্ত্র, লুণ্ঠিত মালামালসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নয়ন ঘোষ ।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভােলাহাটে ৩ টি নাইট কোচবাসে ডাকাতির ঘটনায় ৩ জন ডাকাত দলের সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি পুলিশের একটি দল। এ বিষয়ে ২৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং এ বিস্তারিত তুলে ধরেন, পুলিশ সুপার এএইচএম আবদুর রকিব বিপিএম পিপিএম (বার)। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান পিপিএম, ডিবি ওসি আলহাজ্ব বাবুল উদ্দিন সরদার, ভোলাহাট থানার ওসি মাহবুবুর রহমানসহ গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জানাগেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভােলাহাট উপজেলার ২নং গােয়ালবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী বিল এলাকায় গত ২৩ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টা থেকে পৌণে ৮ টার ভেতর কতিপয় দুষ্কৃতিকারী পথরােধ করে ঢাকাগামী ৩টি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে যাত্রীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ টাকা, মােবাইল ফোন, স্বর্নালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভােলাহাট থানায় অজ্ঞাতনামা ডাকাতদের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি মামলা হয়েছে। যার মামলা নং-৬০। ২৪ আগস্ট মামলাটি হয়। ঘটনার পর পরই চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার তদন্তে নামে চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ। পুলিশ সুপার এ এইচ এম আবদুর রকিব বিপিএম পিপিএম (বার) এর সার্বিক তত্বাবধানে স্বল্প সময়ে ঘটে যাওয়া ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তারসহ লুষ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের জন্য ভােলাহাট থানা ও ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে কয়েকটি টিমযৌথ অভিযান পরিচালনা শুরু করে। গ্রেপ্তার ডাকাত দলের সদস্যরা হচ্ছে, শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের শান্তির মােড় হামিদ নগর এলাকার মােসা. রেবিনা বেগম ও মােফাজ্জল হকের ছেলে তাজেল আলী (৩৫), বলিয়াদীঘি মধ্য বাজারের মােছা. গুধী ও মৃত সমশের আলীর ছেলে আনারুল ইসলাম ওরফে আনু গুরু (৪৫) ও নয়াগ্রামের আপ্তেনুর বেগম ও ভুল্লুর রহমানের ছেলে রেজাউল করিম (৪০)। আসামীদের কাছ থেকে ১৯ টি মােবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ও নগদ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়াও ডাকাতদের কাছ থেকে ডাকাতিকালে ব্যবহৃত ৫টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। তারা পলাতক অপর সঙ্গীদের নিয়ে ডাকাতি করেছে বলেও জানায়। পালিয়ে থাকা ডাকাত দলের সদস্যদের গ্রেপ্তারসহ লুষ্ঠিত আরও অন্যান্য মালামাল উদ্ধারে পুলিশ ও ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান, এসপি আবদুর রকিব।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি