১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির নিয়মিত অভিযানে মাদকসেবন ও বিক্রির অপরাধে গ্রেপ্তার-৩।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নয়ন ঘোষ।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ডিএনসির অভিযানে বিভিন্নস্থান থেকে প্রকাশ্যে মাদক সেবন ও বিক্রির অপরাধে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তার আসামিরা হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষ্ণ গোবিন্দপুর এলাকার বাশির উদ্দিনের ছেলে ওবায়দুর রহমান ওরফে বাইরুল (৪১), শিবগঞ্জ উপজেলার কমলাকান্তপুর গ্রামের হুমায়নের ছেলে বাইরুল (৩০) ও ছত্রাজিৎপুরের মৃত রঘুনাথ রবিদাসের ছেলে রামপদ রবিদাস (৪৮)।

 

অভিযানে উপস্থিত মোবাইল কোর্টের বিচারক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিন আসামি ওবায়দুরকে ৬ মাস, বাইরুলকে ৩ মাস ও রামপদকে ৫ মাসের কারাদন্ড প্রদান করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

 

জানাগেছে, ৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে, ইন্সপেক্টর রায়হান আহমেদ খানের নেতৃত্বে ডিএনসির উপ-পরিদর্শক আসাদুর রহমান, উপ-পরিদর্শক খোন্দকার সুজাত আলী, সিপাই আল-আমিন, সিপাই হাবিবা খাতুন, সোহেল রানা, জাহিদুল ইসলাম যৌথ সঙ্গীয় ফোর্স বিভিন্ন মাদকসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

 

এদিকে জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিয়ে কাজ করছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ডিএনসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সদস্যরা বলে জানিয়েছেন সহকারী পরিচালক আনিছুর রহমান খান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি