১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ১জন শীর্ষ অস্ত্র ব্যবসায়ী র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নয়ন ঘোষ:

 

র‌্যাব-৫, রাজশাহী এর সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল কোম্পানী কমান্ডার মোঃ ওমর আলী এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের এর নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন চৌডালা ইউনিয়নের চৌডালা সেতুর ১০০গজ পশ্চিম পাশে পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালিয়ে

 

(১)১টি বিদেশি পিস্তল (২)ওয়ান শুটারগান ১টি (৩)ম্যাগজিন২টি (৪)গুলি ৩রাউন্ড,(৫)মোবাইল ফোন ১টি (৬)সীম কার্ড ১টি এবং (৭) অটো ভ্যান ১টিসহ শীর্ষ অস্ত্র ব্যবসায়ী মোঃ শফিকুল ইসলাম ওরফে( ধুরু ) (১)নামে এক শীর্ষ অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

 

গ্রেপ্তারকৃত শফিকুল চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ কামালপুর গ্রামের মোঃ পিতা ভাদু ইসলামের ছেলে। মাতা মোছাঃবেলু খাতুনের ছেলে।

 

র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সহকারী পরিচালক প্রেস-বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ গোমস্তাপুর চৌডালা সেতুর ১০০গজ পশ্চিম পাশে পাকা রাস্তার উপর চোরাকারবারি অবস্থান করছে।

 

খবর পাবার পর ৩ সেপ্টেম্বর রাত ১৯ঃ০০টার দিকে দ্রুত ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্রসহ শফিকুল কে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শফিকুল অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

 

এ ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় নিয়মিত একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

র‌্যাব-৫ এর অভিযান জেলায় অব্যাহত থাকবে RAB কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি