১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

চাঁদপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ রিফাত পাটোয়ারী চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

আর মাত্র কয়েক দিন পরেই উদযাপিত হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। শান্তিপূর্ণ ভাবে এই উৎসবটি উদযাপনে অধির আগ্রহে আছে সম্প্রীতির জেলা হিসেবে খ্যাত চাঁদপুরের সনাতনধর্মের মানুষরা। এবছর চাঁদপুর জেলার ৮টি উপজেলার সর্বমোট ২১১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে।

 

এদিকে চাঁদপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২২ সেপ্টেম্বর বুধবার বেলা ১১টায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

সভাপতির বক্তব্যর জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন,’বাংলাদেশ সম্প্রীতির দেশ। এই সম্প্রীতি ধরে রাখতে হবে। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। এদেশে হিন্দুধর্মালম্বিদের সবচেয়ে বড় উতসব দুর্গাপূজা। এই উতসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষে প্রতিটি মন্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে। তবুও কিছু কিছু দুষ্কৃতকারী সবসময় আমাদের সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টায় থাকে। তাদের বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।’

 

তিনি বলেন,’আমাদের প্রত্যেক ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে আইনশৃঙ্খলা ব্যত্যয় না ঘটে। কোন নারী যাতে ইভটিজিংয়ের শিকার না হয়। প্রত্যেক উপজেলায় কন্ট্রোল রুম থাকবে। প্রতিমা বিসর্জনের সময় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল প্রস্তুত রাখতে হবে।’

 

সভার শুরুতেই বিগত সভার কার্যবিবরণী পাঠ এবং সিদ্ধান্তসমূহ তুলে ধরেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমতিয়াজ হোসেন। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটোয়ারি দুলাল, পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল, এনএসআই চাঁদপুর এর উপ-পরিচালক শাহ আরমান আহমেদ, এডিএম নাসির উদ্দিন সারোয়ার, জেলা স্কাউট কমিশনার ও হরিভোলা সমিতির সভাপতি অজয় কুমার ভৌমিক,জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা।

 

প্রসঙ্গত,এবছর চাঁদপুর জেলার ৮টি উপজেলার সর্বমোট ২১১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি