২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

চাঁদপুরের কচুয়ায় পারিবারিক কলহের কারণে বিষপানে গৃহবধূর আত্মহত্যা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ রিফাত পাটোয়ারী চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

 

 

কচুয়ায় কীটনাশক ঔষধ খেয়ে মোহসেনা আক্তার (২২) নামের এক গৃহবধূর আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।

 

শুক্রবার দুপুরে কচুয়া উপজেলার মেঘদাইর গ্রামের মোল্লা বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। সে উপজেলার মেঘদাইর গ্রামের হারুন মোল্লার এক ছেলের দুই মেয়ের মধ্যে সে দ্বিতীয়।

 

নিহত মোহসেনা আক্তারের বাবা হারুন মোল্লা জানান, দুই বছর পূর্বে মোরশেনা আক্তারকে পাশ্ববর্তী মতলব দক্ষিন উপজেলার কাশিমপুরের জোরপুল গ্রামের কবির হোসেনের সাথে বিয়ে দেই। বিয়ের পর তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত।

 

শুক্রবার স্বামীসহ তার পরিবারের লোকজন তাকে মারধর করে কীটনাশক প্রাণ করিয়ে আমার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। পরেতাকে অবস্থা আশঙ্কাজনক কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্ব চিকিৎসক ডাঃ হামিমা আক্তার জানান, মোহসেনা আক্তার হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়। তবে বিষপানে মারা গেছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

 

তার স্বামী করিব হোসেনের ০১৬২২৬৩৯৪২৭ এই মোবাইল নাম্বারেঅনেকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে ও তিনি মোবাইল রিসিভ করেনি।

 

এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, আমরা খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। মোহসেনা আক্তারের লাশ ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুরের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

এদিকে এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে মতলব দক্ষিণ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি