২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ঘূর্ণিঝড় মিধিলি মোকাবেলায় উপকূলীয় শ্যামনগরে ১০৩টি সাইকোন শেল্টার প্রস্তত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি ঃ

ঘূর্ণিঝড় মিধিলি মোকাবেলায় সাতক্ষীরার উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলায় একশত তিনটি সাইকোন শেল্টার প্রস্তত করা রাখা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় শ্যামনগর উপজেলা অফিসার্স কাব মিলনায়তনে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি মোকাবেলায় এক প্রস্ততি সভার আয়োজন করা হয়।

উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক দোলন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ আসাদুজ্জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ শাহিনুল ইসলাম, সিপিপির সহকারী পরিচালক মূনসী নূর মোহাম্মদ, উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান, মুন্সিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান অসীম কুমার মৃধা, বুড়িগোয়ালিনী ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ, গাবুরা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

সভায় উপজেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয় উপজেলার বারটি ইউপির ১০৩টি সাইকোন শেল্টার খুলে রাখা হয়েছে। উপজেলায় পাউবোর বেড়ী বাঁধ কোথাও ঝুঁিকপূর্ণ নাই। বড় ধরনের কোন ঝড় না হলে বাধের কোন ক্ষতি হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,কমিউনিটি কিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় খুলে রাখা হয়েছে। কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়া সকল বেসরকারী সংস্থাকে মিধিলি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এদিকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী,নীলডুমুর সহ অন্যান্য এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

ছবি- শ্যামনগরে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি মোকাবেলায় প্রস্ততি মূলক সভা।

রনজিৎ বর্মন

তাং-১৭.১১.২৩

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি