২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

ঘুঘু পাখির মাংস বিক্রির অভিযোগে কানসাটে শরিফা হোটেলের মালিককে ৬ মাসের জেল ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ নয়ন ঘোষ ।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে শরিফা হোটেলের মালিক আবু সায়েদ কে ৬ মাসের জেল দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বুধবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

রাজশাহী বন বিভাগের কর্মকর্তা জানান, শিবগঞ্জ উপজেলার পুরাতন ব্রিজ কানসাট এলাকার শরিফা হোটেলে অভিযান চালিয়ে ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলমকে ১৫ কেজি ঘুঘু পাখির মাংস ও দুই টি তিলা ঘুঘু জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হোটেল ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম কে ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়। জব্দকৃত পাখির মাংস নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কেরোসিন মিশিয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। জীবিত পাখি ২ টি ম্যাজিস্ট্রেট এর উপস্থিতিতে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়।

আইন অনুযায়ী পাখির মাংস ভক্ষণ, ক্রয়- বিক্রয় করা, পরিবহন, দখলে রাখা, বাসায় বিনোদনের জন্য পাখি লালন – পালন দন্ডনীয় অপরাধ ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি