২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

গোহাইল ইউ,পি নির্বাচনে ছক্কা বিজয়ী চেয়ারম্যান ফজুকে সাংবাদিকদের ফুলেল শুভেচ্ছা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

নাজিরুল ইসলাম, শাজাহানপুর বগুড়া প্রতিনিধি :

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের জনপ্রিয় পরপর একটানা ৬ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলী আতোয়ার তালুকদার ফজুকে সাংবাদিকরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

 

বুধবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার খাদাশ বাজারে নৌকা মার্কার নির্বাচনী অফিসে উপজেলার সাংবাদিকদের মধ্য হতে কর্মরত দৈনিক আমার সংবাদ এবং দৈনিক আজকের জনবাণী পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি মো: নাজিরুল ইসলাম নাজির, দৈনিক দূরন্ত সংবাদ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি দুলাল হোসেন ও দৈনিক আমাদের কণ্ঠ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম বাবু।

 

বগুড়া জেলা তথা বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন চেয়ারম্যান ফজু। তিনি ৫ই অক্টোবর ১৯৬২ সালে উপজেলার খাদাশ গ্রামের মৃত খয়রাত আলীর স্ত্রী মৃত হামিদা বেগমের কোল অলংকিত করে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। নিবিড় নিভৃত পল্লী এলাকায় ধীরে ধীরে তিনি এলাকায় সুখ‍্যাতি অর্জন করে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। পরে তিনি ১৯৯২ সালে উপজেলার গোহাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। তার পর থেকে তিনি এই ইউনিয়নে পরপর একটানা ৬বার নির্বাচিত হয়ে ছক্কা জয়ী চেয়ারম্যানের সুখ‍্যাতি অর্জন করেন। চলতি বছরে ২৮ নভেম্বর ২০২১ ইউ,পি নির্বাচনে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় বগুড়া জেলা তথা সারাদেশব‍্যাপী এক আলোচনার ঝড় বইছে। এবারের নির্বাচনে তিনি ১০ হাজার ৫শ ২১ ভোট পেয়ে বিপুল ভোটের ব‍্যবধানে ৬ষ্ঠ বারের মত পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন।

 

এসময় শুভেচ্ছা জানাতে এসে রুপিহার গ্রামের মজিবুর রহমানের ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে রুবায়েদ বলেন, আমাদের গ্রামে খেলাধুলা করার মত ভালো কোন মাঠ নেই। তাই আমাদের গ্রামে একটি খেলার মাঠের ব‍্যবস্থা নিবেন। তখন নবাগত চেয়ারম্যান তাদের বলেছেন জমি পেলে মাটি ভরাট করে তোমাদের খেলাধুলার ব‍্যবস্থা নিব। তাছাড়াও তোমরা স্কুল মাঠে খেলাধুলার করার জন‍্য প্রয়োজনীয় খেলার সামগ্রী যেকোনো সময় নিতে পারবে। ছাত্রসমাজকে রক্ষায় খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।