২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

গোবিন্দগঞ্জে ফিলআপ হোস্টিং এর উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শাহাবুদ্দিন মোড়ল ঝিকরগাছা যশোর : গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পারগয়ড়া গ্রামে ফিলআপ হোস্টিং এর উদ্যোগে ১০০ বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি সফল হয়েছে। বৃক্ষ রোপণে সহযোগিতায় ছিল, গোবিন্দগঞ্জ মুক্ত স্কাউট দল। ফিলআপ হোস্টিং বাংলাদেশে ২০২০ সাল থেকে সুনামের সাথেই ডোমাইন হোস্টিং সার্ভিস প্রোভাইড করে আসছে। ফিলআপ হোস্টিংয়ের কর্তৃপক্ষ মোঃ তাহমিদুজ্জামান রাফি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আমরা আমাদের কাস্টমারদের সাথে এই উদ্যোগে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানাই। গাছ আমাদের পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গাছ বায়ুদূষণ কমায়, বৃষ্টিপাত বাড়ায়, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করে এবং আমাদের পরিবেশকে সুন্দর করে তোলে। কিন্তু আমাদের দেশে গাছপালার সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এর ফলে দেশের আবহাওয়ার উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। গরমের তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ফিলআপ হোস্টিং’র এই উদ্যোগের প্রশংসা করে গোবিন্দগঞ্জ মুক্ত স্কাউট দলের কর্মকর্তা মোঃ জান্নাতুল ইফরাত রক্সি বলেন, “ফিলআপ হোস্টিং’র এই উদ্যোগটি আমাদের পরিবেশের জন্য একটি বড় অবদান। আমরা আশা করি অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও এই উদ্যোগের অনুসরণ করবে। দেশের আবহাওয়া এর এই সমস্যা সমাধানে ফিলআপ হোস্টিংয়ের এই উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রতিষ্ঠানটি তাদের কাস্টমারদের কাছ থেকে পণ্যের প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে প্রতি মাসের ১-৫ তারিখের মধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গাছ রোপনের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই উদ্যোগটি স্থানীয় জনগণের মধ্যেও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। এলাকাবাসী ফিলআপ হোস্টিং’কে ধন্যবাদ জ্ঞপন করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি