২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

গুচ্ছের পর ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটেও সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে প্রথম চাটখিলের সাফওয়ান।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

মনির হোসেন (স্টাফ রিপোর্টার):

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা প্রথম হয়েছেন নোয়াখালীর চাটখিলের শিক্ষার্থী রাফিদ হাসান সাফওয়ান।

 

বুধবার (২৪ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় এ ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

 

সাফওয়ান রাজধানী ডেমরার দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। সাফওয়ানের পিতা নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার হীরাপুর আলিম মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা রাকিব উদ্দিন ও মাতা হোমিও ডাক্তার কামরুন নাহার।

 

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটে এবার মানবিক শাখা থেকে প্রথম হয়েছেন ঢাকার দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার ছাত্র রাফিদ হাসান সাফওয়ান। তাঁর মোট নম্বর ১০৫ দশমিক ৫০ (মূল পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৫ দশমিক ৫০) একই সাথে ঘ ইউনিটের ও সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে প্রথম হয়েছে।

 

ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে প্রথম হয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজের ছাত্র মো. ইমন হোসাইন। তাঁর মোট নম্বর ১০৩ (মূল পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৩)।

 

বিজ্ঞান শাখা থেকে প্রথম হয়েছেন ঢাকা কলেজের ছাত্র নূর-এ-আলম শাফি। তাঁর মোট নম্বর ১০০ দশমিক ৭৫ (মূল পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮০ দশমিক ৭৫)।

 

১ হাজার ৫৭০ আসনের বিপরীতে এই ইউনিটে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ৮১ হাজার ৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে তিন শাখা মিলিয়ে মোট উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ হাজার ৯৯৪ জন। সে হিসাবে পাসের হার ৯ দশমিক ৮৭।

 

‘ঘ’ ইউনিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় একটি সম্মিলিত ইউনিট। এখানে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক—তিন শাখা থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করা শিক্ষার্থীরাই অংশ নিতে পারেন। একে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিটও বলা হয়ে থাকে। এই ইউনিটের মাধ্যমে ১১টি অনুষদ ও ইনস্টিটিউটের ৫৫টি বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

 

 

‘ঘ’ ইউনিটের এবারের ফলাফলে বিজ্ঞান শাখা থেকে ৬ হাজার ৭১ জন, ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ১ হাজার ৪৮৯ জন আর মানবিক শাখা থেকে ৪৩৪ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বিজ্ঞান শাখা থেকে ১ হাজার ১১৭ জন, ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ৪০০ জন আর মানবিক শাখা থেকে ৫৩ জন এবার এই ইউনিটের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

 

দেশ সেরা শিক্ষার্থী ও নিজ সন্তানের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে পিতা প্রভাষক মাওলানা রাকিব উদ্দিন।

 

 

সাফওয়ান ভবিষ্যতে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে নিঃস্বার্থে কাজ করতে পারে এই বিষয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে সাফওয়ানের বাবা প্রভাষক মাওলানা রাকিব উদ্দিন বলেন, সাফওয়ান অত্যন্ত মেধাবী, ভদ্র ও বিনয়ী। তার এই ধারাবাহিক সাফল্যে আমরা অত্যন্ত খুশি। পূর্বে গুচ্ছ পরীক্ষাতেও সাফওয়ান সারাদেশে প্রথম হয়েছিল।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।