২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

গাইবান্ধায় ফেরি সার্ভিস চালুর নামে শত কোটি টাকা লুটপাট ; জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাকিবুল ইসলাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধার বালাসীঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত ফেরি সার্ভিস চালুর নামে সরকারের ১৪৫ কোটি টাকা অপচয় ও লুটপাটের সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সোমবার (৩০ আগষ্ট) সকালে ফুলছড়ি উপজেলার বালসীঘাটে গাইবান্ধা নাগরিক মঞ্চের ব্যানারে এই বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিক্ষুব্ধ গাইবান্ধাবাসী বালাসীঘাট সড়ক অবরোধ করে। এতে ঘণ্টাব্যাপী যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

 

বিক্ষোভ সমাবেশে নাগরিক মঞ্চের সিনিয়র সদস্য ওয়াজিউর রহমান রাফেলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মিহির ঘোষ, জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মারুফ মনা, নাগরিক মঞ্চের সদস্য সচিব ও জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু, গণফোরাম জেলা সভাপতি ময়নুল ইসলাম রাজা, ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ, ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি প্রণব চৌধুরী খোকন, সাম্যবাদী আন্দোলনের জেলা সদস্য সচিব মনজুর আলম মিঠু, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি মোস্তফা মনিরুজ্জামান, বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা নেতা কাজী আবু রাহেন শফিউল্যা, সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর কবীর তনু, কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লিটন মিয়া, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন জাতীয় পরিষদের সদস্য রানু সরকার সহ অন্যান্যরা।

 

বক্তারা, অবিলম্বে বালাসিঘাট থেকে বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত ফেরি সার্ভিস চালু এবং এসব রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তিরর দাবি জানান।

 

উল্লেখ্য, বালাসিঘাট থেকে বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত ফেরি সার্ভিস চালুর জন্য ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে টার্মিনালসহ নানা অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। কিন্তু সম্প্রতি বিআইডাব্লিউটিএ’র এক প্রতিবেদনে এই পথে আর ফেরি চালু করা সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করা হয়। সম্ভাব্যতা যাচাই বাছাই ছাড়াই প্রকল্প বাস্তবায়ন করায় এই ফেরি রুটটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না বলে কর্তৃপক্ষ জানায়।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি