১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

গর্ভীত সেনাবাহিনী নামে নয়, কাজে প্রমাণ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাসুদ মির্জা ।

 

 

কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে জুন, জুলাই মাসে বর্ষাকালের অতিবৃষ্টি ও সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসে ভাঙ্গনের ছোঁয়া লাগানো স্থান গুলি পরিপূর্ণ ভাবে মেরামত করেছেন দায়িত্বরত থাকা সেনাবাহিনী ১৬ ইন্জিনিয়ার construction ব্যাটালিয়ন।

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর (১৬ ইসিবি) ১৬ ইন্জিনিয়ার construction ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ সাহাব উদ্দিন ও প্রজেক্ট অফিসার মেজর মোস্তফা’র নেতৃত্বে প্রতিনিয়ত কাজ করে গেছেন সার্জেন্ট সাইফুল ইসলাম ও জাওয়ানেরা।

 

জানাযায়, লেঃ কর্নেল মোঃ সাহাব উদ্দিন, মেজর মোস্তফা’ র সু-দক্ষ এবং পরিকল্পনার সাথে অত্যান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সাবরাং এলাকা টিকানো সম্ভব হয়েছে। এই বছর সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাস যে হারে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে বিগত ৫০ বছরেও এই ধরনের পানি হয় নাই বলে জানাযায়।

 

এইদিকে, স্থানীয় জনগণ বলেন যে হারে জুন ও জুলাই মাসে অতি বৃষ্টি ও সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাস বেড়ে গিয়েছিল আমাদের মনেও ভয় ঢুকে পড়েছিল। মনে করেছিলাম আমাদের ঘরবাড়ি বন্যায় ভেসে যাবে। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে কর্মরত সেনাবাহিনীর প্রচেষ্টায় আমরা এবং আমাদের ঘরবাড়ি রক্ষা পেলাম। তাই আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও মেরিন ড্রাইভে দায়িত্বে থাকা ১৬ ইসিবি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতার সহিত ধন্যবাদ মোবারক জানাই।আরও জানান, দেশের বিভিন্ন জায়গায় বন্যার পানি মানুষের অনেক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তবে আমাদের যেন সেই ক্ষতি না হয়, সেদিকে লক্ষ করে কাজ করে গেছেন সেনবাহিনী (১৬ ইসিপবি) । যার কারণে সাবরাং বাসী বড় ধরনের বিপদ হতে মুক্তি পেয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানাযায় যে, দায়িত্বের সহিত বৃষ্টিতে ও তৃষ্ণার্ত রোদের মধ্যে কঠোর পরিশ্রম করেছেন সার্জেন্ট সাইফুল ইসলাম। স্থানীয় ছোট থেকে বড় বেশিরভাগ মানুষের মূখে শুনাগেছে সার্জেন্ট সাইফুল ইসলাম নামটি।স্থানীয়দের কাছথেকে জানতে চাইলে বলেন, তাহার ব্যবহার এবং মিশুকতা না দেখলে নয়। সে একজন মানব প্রেমিক সেনা সদস্য এবং কঠোর পরিশ্রমী। যার কারণে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন সেনাবাহিনীর এই সেনা সদস্য । এই ধরনের সৈনিক’ রা দেশের গর্ভ। তার পরিশ্রমের মধ্যদিয়ে আমরা আরো একবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী’ কে টেকনাফ বাসীর পক্ষ থেকে স্যালুট জানাই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি