১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

গজারিয়া চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলম সাহেবের শশুরের কুলখানি।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ওসমান গনি ,গজারিয়া প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা বালুয়া কান্দি ইউনিয়নে বালুয়াকান্দী গ্রামে আলাম সাহেবের শশুর মোঃহাজী জোহর আলীর উদ্দেশ্যে কুলখানি আয়োজন করা হয়।

আজ শুক্রবার মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বালুয়াকান্দি ইউনিয়নে বালুয়াকান্দী গ্রামে আলাম সাহেবের শশুর মোঃহাজী জোহর আলীর উদ্দেশ্যে কুলখানি আয়োজন করা হয়। কুলখানিতে ৮টি গরু জবাই করে ৫০০০ হাজার লোকের খাবারের আয়োজন করে আলাম সাবের শশুর মোঃহাজী জোহর আলীর মাগফেরাত কামনা করেন।হাজী জোহর আলী একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ছিলেন তিনি গত ১২ আগষ্ট বার্ধক্য জনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি তার স্ত্রী, দুই পুত্র সন্তান মোঃ বিল্লাল হোসেন, মোঃওয়াজ করনি, দুই কন্যা সন্তান ফারজানা আক্তার রোজিনা আক্তারকে রেখে মারা যান। ফারজানা আক্তার এর স্বামী মোঃ আলম সাহেবের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে এই কুলখানির আয়োজন করা হয়। কুলখানিতে গরিব মিসকিন অংশগ্রহণ করে আত্ম তৃপ্তি সহকারে খাবার খেয়ে হাজী জোহর আলী মাগফেরাত কামনা করেন।

 

এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন তারাও হাজী জোহরআলীর মাগফেরাত কামনা করেন। উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃআমিরুল ইসলাম.গজারিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুতালেব ভূইয়া।বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল আমিন প্র গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী সদস্য, হোসেন্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃআক্তার হাজী। যুবলীগ নেতা জিতু খান বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাবীব মেম্বার।বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃআল আমিন প্রধান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি