২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

গজারিয়া আড়ালিয়ায় অতর্কিত হামলায় ,আহত ৩ ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ওসমান গনি গজারিয়া প্রতিনিধিঃ

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ২নং বালুয়াকান্দি ইউনিয়ন আড়ালিয়া স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি ও মারামারি মামলার বাদী পক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলায় তিনজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

 

১১ আগস্ট বুধবার সকালে আড়ালিয়া গ্রামের আড়ালিয়া বাজার স্ট্যান্ডে মামলার আসামি রহিম গং চক্রটি বাদীপক্ষ রুবেল গংদের উপর অতর্কিত হামলা চালায় ।

 

হামলায় পূর্বের মারামারি মামলা বাদী পক্ষের তিনজন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন আড়ালিয়া গ্রামের হযরত আলীর ছেলে মিছির আলী , মৃত রহমত আলীর ছেলে আলী আকবর ও চান বাদশা। পূর্বের চাঁদাবাজি ও মারামারি মামলার বাদী রুবেল মিয়া জানান মারামারির মামলা এবং চাঁদাবাজি চক্রের মূল হোতা রহিম গং বুধবার সকালে অতর্কিত ভাবে আড়ালিয়া বাজার স্ট্যান্ডে হামলা চালিয়ে তার নিজের মুদি দোকান ভাঙচুরের চেষ্টা ও মালামাল ভাংচুরসহ তিনজনকে গুরুতর জখম করেছে। আহত তিনজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে । গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান মারামারি সংক্রান্ত ঘটনায় আহত তিনজন কে গুরুতর জখম থাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত চান বাদশার চাচা আলাউদ্দিন প্রধান জানান রহিমগং চক্রটি এলাকায় আড়ালিয়া গ্রাম সংলগ্ন নদীতে চাঁদাবাজি সহ আড়ালিয়া বাজার স্ট্যান্ডে একাধিক দোকানে চাঁদা দাবির প্রতিবাদ করায় আজকের এই অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। রহিমগং চক্রটি এলাকায় চাঁদাবাজি সহ নানা অনাকাঙ্খিত ঘটনা অহরহ ঘটিয়ে যাচ্ছে।

অভিযুক্ত রহিম মিয়া কে একাধিকর মোবাইলে যোগাযোগ করে না পেয়ে বাড়িতে যোগাযোগ করে সন্ধান পাওয়া যায় নাই।

ঘটনার পর বাজার এলাকায় সবকয়টি দোকান বন্ধ রয়েছে।

 

গজারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রইছ উদ্দিন জানান পূর্বের মারামারির মামলার জের ধরে আজকের এই মারামারি সংঘটিত হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের অভিযোগ ভিত্তিতে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি