১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

গজারিয়ার শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ওসমান গনি গজারিয়া প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জ‌র গজারিয়া উপজেলায় প্রাথমিক ,মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার হচ্ছে বলে দাবি করছেন একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান। আজ শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় ,মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে দেখা যায় ,

পোড়াচক বাউশিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হানিফ মিয়া জানান মহামারী করোনা কালীন সময় দীর্ঘ দিন স্কুল বন্ধ থাকার পরে রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল খোলা হচ্ছে। শিক্ষা বোর্ড কর্তিক নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবস্থা বাস্তবায়নে স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে একাধিক কমিটির লোকজন কাজ করছে দিনরাত।

 

শিক্ষার্থীদের কে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণ করতে ভ্রাম্যমান একাধিক জায়গায় হাত ধোয়ার ব্যবস্থা শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয়ের আধুনিক যন্ত্রপাতি সহ পরিষ্কার পরিছন্নতা কাজে দিনরাত কাজ করছে ব্যবস্থাপনা

 

পরিচালনা কমিটির একাধিক লোক। অপরদিকে বৈদ্যারগাঁও হাজী কেরামত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম মতামত প্রকাশে জানান শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার সরঞ্জামাদিসহ সর্বাধুনিক এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার শতভাগ পরিবেশ বজায় রেখে রবিবার থেকে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে।

 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাকির হোসেন জানান উপজেলাধীন সকল মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান কে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শতভাগ নিশ্চিত করণ সহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য নোটিশ করা হয়েছে।

 

কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি