১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া মহাবিদ্যালয়ে এইচএসসি ফরম পূরণ নিয়ে নানা অভিযোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

খুলনা প্রতিনিধি।

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলাধীন ডুমুরিয়া মহাবিদ্যালয়ে চলতি বছরে এইচএসসি ফরম পূরণে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাত্র ৬০ টাকার জন্য কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হয়েছে এক ছাত্রকে। এমন অভিযোগ তুলেছেন উপজেলার আইতলা এলাকার পরীক্ষার্থী ইসমাইল হোসেন খানের পুত্র ইমরান খান।

 

উপজেলা সদরে অবস্থিত ডুমুরিয়া মহাবিদ্যালয়ে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ ও মার্কসীট প্রদানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির বেশ কয়েকটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য মোবাইলে ২০৪০ টাকার ম্যাসেজ দেয়া হয়েছে। কিন্তু হিসাব শাখায় কর্মরত আলী আসগর ছাত্র ইমরানসহ অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে ফরম পূরণের জন্য বোর্ড নির্ধারিত ফি’র সঙ্গে না পড়িয়ে ১১ মাসের বেতন ও সেশন চার্জের নামে আরও ২ শত টাকার হিসাব কষে মোট ২০৪০ টাকা নির্ধারণ করে ম্যাসেজ দিয়েছেন। তারপরও আরো ৬০ টাকা বেশী দাবি করে আলী আসগর। এই অতিরিক্ত ৬০ টাকা দিতে না পারায় ইমরান খানকে কলেজ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন হিসাব শাখার অফিস সহকারী।

 

এ ব্যাপারে আলী আসগর বলেন, আমি কোন ছাত্রকে বের হয়ে যেতে বলিনি। শুধু অনলাইনের খরচ দিতে বলেছি। এছাড়া বিগত বছর ফরম পূরণ করে অটো পাশ শিক্ষার্থীদের বোর্ড কর্তৃপক্ষ যে টাকা ফেরত দিয়েছে। সেই টাকা থেকে ৫০ টাকা করে কেটে নেয়া হয়েছে।

 

কলেজ অধ্যক্ষ রঞ্জন তরফদার বলেন, অনলাইনের তো একটা খরচ আছে? সেই কারণে সামান্য খরচ নেয়া হচ্ছে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, সরকারি নির্দেশনার বাইরে কেউ বেশি টাকা নিতে পারবে না। যদি কেউ অতিরিক্ত টাকা আদায় করে এবং তার সত্যতা পাওয়া যায়। তাহলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি