১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

খাগড়াছড়ির রামগড়েমাছের পোনা বিতরণ ও অবমুক্ত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

মোঃ মোজাম্মেল হোসাইন, রামগড় প্রতিনিধি ।

 

খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর ) সকাল সাড়ে দশটায় উপজেলা মৎস অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের লেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে পোনা অবমুক্ত করেন রামগড় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার ফারুক।একইসাথে স্থানীয় সরকারী – বেসরকারী,সমবায় সমিতি, ব্যাক্তি মালিকানা ও খাস জলাশয়, পুকুর, ডোবায় অবমুক্ত করার জন্য পোনা বিতরণ করেন তিনি। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারঃ)ও সহকারী কমিশনার( ভূমি) উম্মে হাবিবা মজুমদার, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা আক্তার,উপজেলা (সংরক্ষিত) মহিলা সদস্য কনিকা বড়ুয়া,২নং পাতাছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মনিন্দ্র ত্রিপুরা,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহম্মদ ,রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুজ্জামান,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আজিজুর রহমান আনজুম, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আবুল কালাম,মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস,স্থানীয় সাংবাদিক, সিআইজি সমিতির সভাপতি, সম্পাদক ও মৎস্য চাষিগণ উপস্থিত ছিলেন।

রামগড় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাশ জানান,মাছের উৎপাদন বাড়াতে রাজস্ব খাতে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচীর আওতায় রামগড় উপজেলার ৩৬টি পুকুরে পোনামাছ অবমুক্ত করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি