২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

কয়রায় স্কাউটস -এর ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ইউএনও অনিমেষ বিশ্বাস সভাপতি ও শিক্ষক হুমায়ূন কবির সম্পাদক নির্বাচিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

  1. অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা,খুলনাঃ

বাংলাদেশ স্কাউটস কয়রা উপজেলা শাখার ত্রি- বার্ষিক সম্মলন শনিবার সকাল ১০ টায় সুন্দরবন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের হল রুম অনুষ্ঠিত হয়। মদিনাবাদ মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস। বিশষ অতিথি ছিলেন উপজলা শিক্ষা অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান, কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান মােহাঃ হুমায়ুন কবির ও কপােতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ অদ্রীশ আদিত্য মন্ডল। বাংলাদেশ স্কাউটস কয়রা উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক শিক্ষক মােশারফ হাসেনের পরিচালনায় আলােচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা স্কাউটস টিম লিডার আব্দুল্যাহ হাওলাদার, অধ্যক্ষ মাওলানা রফিকুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক এস এম খায়রুল আলম, প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা, ডুমুরিয়া স্কাউটসের সম্পাদক হিরণ্য মন্ডল, প্রধান শিক্ষক এস নুর মােহাম্মাদ, শহীদ সারােয়ার, আঃ খালেক, এসএম নুরুল আমিন নাহিন, শিক্ষক মোহাঃ হুমায়ুন কবির, দিপক কুমার মিস্ত্রী, বরুন কুমার বৈরাগী, বিএম আঃ রাজ্জাক প্রমুখ।
আলাচনা শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাসকে সভাপতি ও কালনা আমিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ হুমায়ুন কবিরকে সাধারন সম্পাদক করে আগামী ৩ বছরর জন্য বাংলাদেশ স্কাউটস কয়রা উপজেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়। উপজলার বিভিন্ন কলেজ, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি