২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

কয়রায় বঙ্গমাতার জন্মদিনে হত দরিদ্রদের মাঝে সেলাই মেশিন ও অর্থ সহায়তা প্রদান করেন এমপি বাবু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কয়রায় বঙ্গমাতার জন্মদিনে
হত দরিদ্রদের মাঝে সেলাই মেশিন
ও অর্থ সহায়তা প্রদান করেন এমপি বাবু

অরবিদ কুমার মন্ডল , কয়রা, খুলনাঃ

বঙ্গমাতা বগম ফজিলাতুনছা মুজিব এর ৯১ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে কয়রা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা শেষে হত দরিদ্রদের মাঝে সেলাই মেশিন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
৮আগষ্ট রবিবার উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা অধিদপ্তরের উদ্যোগে কয়রা-পাইকগাছার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাঃ আকতারুজ্জামান বাবু সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত থেকে অসহায় হতদরিদ্র নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন ও নগত অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। সেলাই মেশিন ও আর্থিক সহায়তা বিতরণকাল উপস্তিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কমলেশ কুমার , কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ মাঃ রবিউল হাসান, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কাজী মাস্ত্মাইন বিলল্লাহ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার প্রমুখ। অপর দিক বঙ্গমাতার জন্মদিন উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযাগী সংগঠনের পক্ষ থেকে দলীয় কার্যালয় এক আলাচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলাচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম মাহসিন রাজা, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম বাহারুল ইসলাম, প্রচার সম্পদক হারুন অর রশিদ, আওয়ামীলীগ নেতা প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম, যুবলীগ নেতা এ্যাডঃ আরাফাত হাসান, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বাদল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কয়রা উপজেলা আওয়মীলীগ ও তার বিভিন অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মিরা উপস্তিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি