১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

কয়রায় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতারণার অভিযোগ ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

কয়রায় জনৈক ইউপি সদস্য কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধাদের ২ লক্ষ টাকার চেক পাইয়ে দিতে ৩২ হাজার ৭০০ টাকা বিকাশ করার জন্য একাধিক মুক্তিযোদ্ধার সাথে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মাদ গাজী, ওবায়দুল্লাহ গাজী ও নীলকান্ত মণ্ডলের নিকট একই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়াডের ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা গাজী বিকাশ নম্বরে এ ধরনের প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এ বিষয়ে শুক্রবারে মুক্তিযোদ্ধা নুরমোহাম্মাদ গাজী, ওবায়দুল্লাহ গাজী ও নীলকান্ত মণ্ডল উক্ত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাত আনুঃ ৯ টায় বাগালী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা গাজী ০১৮৭২-৮৪৮৩৯৮ একটি বিকাশ নম্বর দিয়ে উল্লেখিত ৩ মুক্তিযোদ্ধাকে বলেন, এখানে ৩২ হাজার ৭০০ টাকা বিকাশ করলে ২ লক্ষ টাকার চেক পাওয়া যাবে। বিষয়টি নিশ্চিত করতে মুক্তিযোদ্ধা নুরমোহাম্মাদ গাজী তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মুঠোফোনে জানানোর পর শুক্রবার তারা লিখিত অভিযোগ করেছেন ঐ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এধরনের অভিযোগ পেয়েছেন স্বীকার করে বলেন, এ বিষয় তদন্ত করে প্রমান হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা জানান, মঙ্গলবার রাত আনুঃ ৮.৩০টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পরিচয়ে একটি ফোন কল আসে। তিনি বলেন আপনার এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের আমার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। সেই মোতাবেক কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাদের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে বলেছি এবং ফোনের কথামত একটি বিকাশ নাম্বারও দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, আমি নম্বরটি যাচাই পূর্বক তাদের টাকা দিতে বলেছিলাম। তবে তাদের কাছে টাকা চাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে এ ধরনের প্রতারণার বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি