১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

কোন মুসলিমের প্রথম পক্ষের বিয়ে থাকলে, দ্বিতীয় পক্ষের হিন্দু মহিলার সাথে বিবাহ বৈধ নয়, সাফ জানিয়েছেন গৌহাটি হাইকোর্ট।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

কোন মুসলিমের প্রথম পক্ষের বিয়ে থাকলে, দ্বিতীয় পক্ষের হিন্দু মহিলার সাথে বিবাহ বৈধ নয়, সাফ জানিয়েছেন গৌহাটি হাইকোর্ট।।

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।।

 

প্রথম পক্ষের স্ত্রী থাকতে তাকে ডিভোর্স না দিয়ে দ্বিতীয় পক্ষের কোন হিন্দু মহিলার সাথে বিবাহ ও একসাথে থাকা বৈধ নয় বলে পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন অসম এর গৌহাটি হাইকোর্টের বিচারপতি শ্রী কল্যাণ রাই সুরেনা। আজ জনাব সাহাবুদ্দিন আহমেদ নামে এক মৃত ব্যক্তির দ্বিতীয় পক্ষের হিন্দু স্ত্রীর খোরপোষ ও বিষয়সম্পত্তি এবং টাকা পয়সার দাবি নিয়ে গৌহাটি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন শ্রীমতী দীপামনি কলিতার নামে এক মহিলা। সেই মামলার শুনানি শেষে গৌহাটি হাইকোর্টের বিচারপতি কল্যাণ রাই সুরেনা একটি, ১৯৫৪,সালের, বিহারের পাটনা হাইকোর্টের রায় উল্লেখ করেন বলেন যে, ৪,নাম্বার, ধারায় বলা হয়েছে যে প্রথম পক্ষের মুসলিম স্ত্রী আছে, তা জানা সত্ত্বেও দ্বিতীয় পক্ষের হিন্দু মহিলার সাথে বিবাহ করা সম্পূর্ণ বেআইনি , এবং এরা একসাথে থাকা কোন মতে আদালত মেনে নিতে পারে না। কারণ মৃত জনাব সাহাবুদ্দিন আহমেদ নামে যে ব্যক্তি স্বামী হিসেবে ধরা হয়েছে তিনি, অসম সরকারের কামরূপ জেলার ডেপুটি কমিশনারের কাছে কাজ করতেন। তিনি প্রথম পক্ষের স্ত্রী কে ডিভোর্স না দিয়ে দিপামনি কলিতার সাথে বিবাহ করেন। এবং দিপামনি কলিতার একটি পুত্র সন্তান রয়েছে, ১২,বৎসরের, । তার সত্ত্বেও প্রথম পক্ষের স্ত্রী কে ডিভোর্স না করে দিপামনি কলিতার সাথে বিবাহ করেন। তাই তিনি নিদিষ্ট কোন প্রমাণ না দেখাতে পারেননি। তাই তিনি কোন পেনশন ও মৃত ব্যক্তির টাকা পয়সা পাবেন না পরিস্কার করে সাফ জানিয়ে দেন গৌহাটি হাইকোর্টের বিচারপতি শ্রী কল্যাণ রাই সুরেনা। এই মহিলার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, ২০১৭, সালে। তার পর পথ দুর্ঘটনায় জনাব সাহাবুদ্দিন আহমেদ এর মৃত্যু হয়।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি