১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

কোন গুরুতর অভিযোগ ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার কারণ না থাকলে কোন ব্যক্তি কে অন্যত্র চলে যেতে বলার অধিকার নেই প্রশাসনের। বললেন সুপ্রিম কোর্ট।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ভারত থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।।

 

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের অমরাবতী জেলার সমাজকর্মী ও পত্রিকার সংবাদিক জনাব রহমত খানের দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানির শেষে রায় দিতে গিয়ে ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারক শ্রীমতী ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি শ্রী রাম সুব্রামানিয়াম এর ডিভিশন বেঞ্চ পরিস্কার ভাবে বলে দেন যে, কোন ব্যক্তি কে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে অন্যত্র চলে যাবার হুকুম দিতে পারে না কোন প্রশাসন। হ্যাঁ যদি ঔ ব্যাক্তির দ্বারা আইন শৃঙ্খলা অবনতি ঘটে এবং তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মতো অভিযোগ থাকে। সম্প্রতি ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের অমরাবতী জেলার একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান বিরুদ্ধে জনাব রহমত খান দুর্নীতির অভিযোগ করেন। যে ঔ বিদ্যালয় প্রচুর আর্থিক গোলমাল করেছেন স্হানীয় প্রশাসন। তাই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন অমরাবতী জেলার প্রশাসন। এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ঔ জেলা ছাড়ার নিধান দেয় প্রশাসন। এই নির্দেশনার বিরুদ্ধে তিনি ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে অমরাবতী জেলার প্রশাসন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে আজ ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের বিচাররা বলেন যে, কোন নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত আসার আগে অভিযোগ কারিকে জেলার অন্যত্র চলে যাবার নিদান কেউ দিতে পারে না। যদি তার কাজের দ্বারা কোন এলাকার আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে। এবং তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মতো বড় কারণ থাকে। পরবর্তীতে ফের এই মামলার শুনানি হবে। তবে সমাজকর্মী ও পত্রিকার সংবাদিক তার নিজের জেলায় অমরাবতী তে বসবাস করতে পারবেন।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি