১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

কেইপিজেড’র লেকের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীকে নগদ অর্থ,ত্রান সামগ্রী বিতরন  ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শেখ আবদুল্লাহ আনোয়ারা, প্রতিনিধি ।

 

কর্ণফুলী কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (কেইপিজেড)র লেকের পানিতে কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের দৌলতপুর এলাকায় ভেসে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীরা ।ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নগদ অর্থ ও ত্রান সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট )বিকালে কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান দৌলতপুর এলাকায় কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আবদুল করিমের ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ২৫০ পরিবারকে নগদ এক হাজার টাকা ও উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) শাহীনা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিরিন আক্তার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দিদারুল ইসলাম, ব্যাংকার আবদুল করিম, ২ নং বড়উঠান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. দিদারুল আলম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সোলাইমান তালুকদার, সহ সভাপতি শহীদুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন খান, মোহাম্মদ শহীদ, আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখ সেলিম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মুজিবুর রহমান, ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাজ্জাদ সাজিদ, যুগ্ন সম্পাদক সাইফুদ্দিন, আজাদ সোহেল ও গিয়াস উদ্দিন , ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সদস্য আবুল বশর ছোটন প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি